টাকা গেল ৫ মিনিটে, ফেরত এল ৮.৭%: মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার প্রথম এক ঘণ্টা
|

টাকা গেল ৫ মিনিটে, ফেরত এল ৮.৭%: মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার প্রথম এক ঘণ্টা

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণার শিকার হলে প্রথম কাজ থানায় যাওয়া নয়। প্রথম কাজ হলো সঙ্গে সঙ্গে নিজের সেবাদাতার হেল্পলাইনে ফোন করা (বিকাশ ১৬২৪৭, নগদ ১৬১৬৭, রকেট ১৬২১৬), ট্রানজেকশন আইডি দিয়ে প্রাপকের হিসাবে টাকা সাময়িক আটকানোর অনুরোধ করা। তারপর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার কপি সেবাদাতাকে দেওয়া। কারণ প্রতারক একবার টাকা তুলে ফেললে ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যে নামে।

সংখ্যাটা কতটা নিষ্ঠুর, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যেই দেখা যায়। ২০২৫ সালে মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) প্রতারণায় খোয়া গেছে প্রায় ৮১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ফেরত এসেছে ৮.৭ শতাংশ। টাকা যেতে লাগে কয়েক মিনিট। ফেরত আনতে লাগে জিডি, স্ক্রিনশট, একাধিক ফোনকল, আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেটাও কাজ করে না।

মূল কথা

  • ২০২৫ সালে এমএফএস প্রতারণার ১০০ টাকার মধ্যে ফেরত এসেছে ৯ টাকারও কম।
  • প্রথম ফোনটা সেবাদাতার হেল্পলাইনে, প্রাপকের টাকা আটকানোর অনুরোধসহ।
  • জিডির কপি ছাড়া আটকানো টাকা ফেরত প্রক্রিয়া সাধারণত এগোয় না।
  • দায়ের পুরো বোঝা গ্রাহকের ঘাড়ে; প্রদানকারীর দায় ভাগাভাগির নিয়ম দরকার।

প্রতারণার টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কতটা?

দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ১৬ জুন ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা এমন:

  • ২০২৫ সালে এমএফএস, চেক ও কার্ড মিলিয়ে প্রতারণার ঘটনা ৮১ হাজার ৪২৩টি।
  • মোট ক্ষতি প্রায় ৯২ কোটি ৬০ লাখ টাকা (৯২৬.০১ মিলিয়ন), সামগ্রিক উদ্ধার ১০.৭ শতাংশ।
  • এর ৮৮ শতাংশই এমএফএসে: প্রায় ৮১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। উদ্ধার হয়নি প্রায় ৭৪ কোটি ২৬ লাখ। উদ্ধারের হার ৮.৭ শতাংশ।
  • চেক জালিয়াতি: মাত্র ৩০টি ঘটনা, ক্ষতি প্রায় ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, উদ্ধার ৮১ শতাংশ। কার্ডে উদ্ধার ৪৭ শতাংশ।

তুলনাটা খেয়াল করুন। যে মাধ্যমে কাগজ, সই আর ব্যাংকের কাউন্টার লাগে, সেখানে ১০০ টাকার ৮১ টাকা ফেরত আসে। যে মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডে টাকা যায়, সেখানে ফেরত আসে ৯ টাকারও কম। গতি যেখানে বেশি, সেখানে ব্রেক সবচেয়ে দুর্বল। প্রতারকেরা এই হিসাব গ্রাহকের চেয়ে ভালো বোঝে।

প্রথম এক ঘণ্টায় ঠিক কী করবেন?

এই ক্রমটা ফোনের নোটে সেভ করে রাখুন, নিজের জন্য আর বাসার বয়স্কদের জন্য। বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা থাকে না।

  1. প্রতারকের সঙ্গে কথা বন্ধ করুন। “ভুল হয়ে গেছে, আরেকটা কোড দিন, টাকা ফেরত দিচ্ছি”, এই বাক্য দ্বিতীয় দফা লুটের ভূমিকা। আর কোনো ওটিপি, পিন বা কোড নয়।
  2. সেবাদাতার হেল্পলাইনে ফোন করুন। বিকাশ ১৬২৪৭, নগদ ১৬১৬৭, রকেট ১৬২১৬ (ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কল সেন্টার)। ট্রানজেকশন আইডি, সময়, অঙ্ক আর প্রাপকের নম্বর বলুন। স্পষ্ট করে বলুন: প্রাপকের হিসাবে এই লেনদেন সাময়িক আটকানো হোক। অভিযোগ নম্বর বা টিকিট নম্বর চেয়ে নিন, ফোনের সময় লিখে রাখুন।
  3. প্রাপককে নিজে ফোন করবেন না। টাকা তুলে নেওয়ার সংকেত তাঁকে আগেই দিয়ে ফেলবেন।
  4. পিন বদলান। প্রতারক আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে থাকলে হেল্পলাইনকে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করতে বলুন।
  5. প্রমাণ জমান, কিছু মুছবেন না। লেনদেনের এসএমএস, অ্যাপের হিস্ট্রি, কল লগ, চ্যাট, প্রতারকের নম্বর, ওয়েবসাইট বা পেজের লিংক, সবকিছুর স্ক্রিনশট।
  6. থানায় জিডি করুন। লেনদেনের সব তথ্য লিখুন। জিডির কপি সেবাদাতাকে জমা দিন। আটকানো টাকা নিয়ে পরের ধাপ এগোতে সেবাদাতারা সাধারণত এই কপি চায়। বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন জিডি ব্যবস্থাও আছে, তবে প্রতারণার মতো ঘটনায় থানায় গিয়ে করাই নিরাপদ।
  7. হুমকি বা চাঁদাবাজি চলতে থাকলে ৯৯৯-এ ফোন করুন।
  8. সেবাদাতা সাড়া না দিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযোগ হটলাইন ১৬২৩৬-এ জানান। কবে কাকে কী বলেছেন, সেই তালিকা সঙ্গে রাখুন।

একটা কথা খোলাখুলি বলা দরকার। হিসাব আটকানো মানে টাকা ফেরত নয়। আটকানো টাকা ফেরত আনতে সাধারণত প্রাপকের সম্মতি, পুলিশের তদন্ত বা আদালতের আদেশ লাগে। তবু আটকানোটাই প্রথম শর্ত। টাকা একবার ক্যাশ আউট হয়ে গেলে কাগজপত্র যত নিখুঁতই হোক, ফেরত আনার মতো কিছু আর থাকে না।

মামলা করতে চাইলে কোন আইনে?

জিডি একটি রেকর্ড মাত্র, মামলা নয়। অপরাধের বিচার চাইলে থানায় এজাহার বা আদালতে নালিশ করতে হবে। প্রাসঙ্গিক বিধানগুলো:

  • দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা: প্রতারণা ও অসৎভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনা। সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা।
  • সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২২ ধারা: সাইবার স্পেসে প্রতারণা। সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড, বা ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয়।
  • একই আইনের ২১ ধারা: সাইবার জালিয়াতি, যার মধ্যে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতিও ধরা আছে। সর্বোচ্চ ২ বছর, বা ২০ লাখ টাকা, বা উভয়।
  • একই আইনের ৩০ ধারা: ট্রাইব্যুনাল অপরাধে সৃষ্ট ক্ষতির সমপরিমাণ অর্থ ক্ষতিগ্রস্তকে দেওয়ার আদেশ দিতে পারে। শাস্তির পাশাপাশি টাকা ফেরতের আইনি পথ এটাই। (এই আইনে এখন কোন সংশোধনী প্রস্তাব চলছে, তা নিয়ে আলাদা লেখা আছে।)

সংঘবদ্ধ চক্রের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-ও প্রাসঙ্গিক হতে পারে, কারণ প্রতারণা ও জালিয়াতি সেখানে সম্পৃক্ত অপরাধ (predicate offence)। ব্যক্তিগত ক্ষতির মামলায় সাধারণত এত দূর যেতে হয় না। কোন পথে যাবেন, সেটা ক্ষতির অঙ্ক আর প্রমাণ দেখে একজন আইনজীবীর সঙ্গে ঠিক করুন।

প্রতারণার টাকা শেষে যায় কোথায়?

টাকা সরানোর রাস্তা এখন আরও চওড়া হচ্ছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ১০ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলা কিউআর-এ দৈনিক গড় লেনদেন জুলাইয়ে ছিল ৩৭ কোটি টাকার বেশি, আগস্টে তা ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এক মাসে প্রায় তিন গুণ। এমএফএসে ক্যাশ আউটের সীমা দিনে ৩০ হাজার আর মাসে ২ লাখ টাকা। কিউআর দিয়ে মার্চেন্ট পেমেন্টে সে রকম সীমা নেই। প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, এই ফাঁক দিয়ে ক্যাশ আউটের সীমা এড়ানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক বলেছেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাঁরা পাননি, তবে এমন কিছু ঘটলে খতিয়ে দেখবেন।

এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআর নিয়ে নতুন সার্কুলার দিয়েছে, কার্যকর ১ অক্টোবর থেকে। তাতে মার্চেন্টের হিসাবে সঙ্গে সঙ্গে টাকা জমার নিয়ম আছে, কিন্তু লেনদেনের নতুন কোনো সীমা নেই। একই দিনে লাইসেন্সবিহীন ঋণ অ্যাপে ব্যাংক ও এমএফএসের পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অনলাইন ঋণ অ্যাপের হয়রানির শিকার হলে অ্যাপের নাম ও প্রমাণসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের হটলাইন ১৬২৩৬-এ জানাতে পারেন।

চক্রগুলো কতটা সংগঠিত, তার একটা ইঙ্গিত মেলে চট্টগ্রামে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী ১০ সেপ্টেম্বর রাতে খুলশীর একটি আটতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, ভুয়া ওয়েবসাইট ও চাকরির প্রস্তাব দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতো। সেখান থেকে ল্যাপটপ, সার্ভারসহ ১৭০টি ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণ হবে আদালতে। তবে সামগ্রিক ছবিটা পরিষ্কার: প্রতারণা চক্রগুলোর কাছে এটা পুরোদস্তুর পেশা। এপাশে গ্রাহকের হাতে আছে একটা সতর্কবার্তা।

“ওটিপি কাউকে দেবেন না” বলাই কি যথেষ্ট?

প্রতিটি সতর্কবার্তা একই সুরে বাজে: পিন দেবেন না, ওটিপি দেবেন না, অচেনা কলে সাড়া দেবেন না। পরামর্শগুলো ঠিক। কিন্তু এগুলো নীতির জায়গা নিলে একটা বার্তা যায়: প্রতারণা হলে দোষ গ্রাহকের। ব্যবস্থাটা এমনভাবে বানানো যে টাকা সেকেন্ডে যায়, আর থামানোর দায়িত্ব পড়ে ভয় পাওয়া একজন মানুষের ওপর, যাঁকে ফোনে বলা হচ্ছে তাঁর অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অপর প্রান্তের প্রশ্নটাও কেউ করে না। প্রতারকের টাকা যে ওয়ালেটে ঢোকে, সেটাও কোনো না কোনো সেবাদাতার গ্রাহক। সেই হিসাব খুলতে কার পরিচয়পত্র লেগেছিল? সাইবার সুরক্ষা আইনের ২১ ধারায় অন্যের এনআইডিতে নিবন্ধিত সিম দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতির কথা আলাদা করে লিখতে হয়েছে। সমস্যাটা যে ব্যাপক, আইনপ্রণেতারা সেটা জানেন। কিন্তু প্রতারকের হিসাব খুলতে দেওয়ার খরচ আজও কোনো সেবাদাতা বহন করে না।

সেবাদাতা ও বাংলাদেশ ব্যাংক কী করতে পারে?

দায় ভাগাভাগির নজির আছে। যুক্তরাজ্যে ৭ অক্টোবর ২০২৪ থেকে নিয়ম চালু হয়েছে: প্রতারণা করে গ্রাহককে দিয়ে টাকা পাঠানো হলে (authorised push payment fraud) প্রেরকের সেবাদাতা সাধারণত ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৮৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত ফেরত দেয়। সেই খরচের অর্ধেক দেয় প্রাপকের সেবাদাতা, যার হিসাবে টাকা ঢুকেছিল। এতে প্রতারকের হিসাব খুলতে না দেওয়ার একটা আর্থিক কারণ তৈরি হয় সেবাদাতার নিজের জন্যই।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় পাঁচটি পদক্ষেপ এখনই নেওয়া যায়:

  1. প্রথমবারের বড় লেনদেনে বিরতি: নতুন প্রাপককে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি পাঠালে ৩০ মিনিট হোল্ড, যে সময়ে প্রেরক বাতিল করতে পারবেন।
  2. প্রাপকের নাম দেখানো বাধ্যতামূলক: পাঠানোর আগে পর্দায় প্রাপকের নিবন্ধিত নাম দেখাতে হবে, সব প্ল্যাটফর্মে।
  3. প্রদানকারীদের মধ্যে যৌথ জরুরি ফ্রিজ: টাকা এক প্ল্যাটফর্ম থেকে আরেকটায় লাফায়। একটি অভিযোগে সব প্ল্যাটফর্মে পরের ধাপের লেনদেন আটকানোর ব্যবস্থা দরকার।
  4. প্রদানকারীভিত্তিক উদ্ধারের হার প্রকাশ: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি প্রান্তিকে কোন সেবাদাতা কত অভিযোগ পেল আর কত টাকা ফেরত দিল, তা প্রকাশ করুক।
  5. দায় ভাগাভাগির নিয়ম: প্রাপকের হিসাব খোলায় কেওয়াইসি-র গাফিলতি প্রমাণ হলে ক্ষতির একটা অংশ সেই সেবাদাতা বহন করবে।

৮.৭ শতাংশ উদ্ধারের হার গ্রাহকের অসচেতনতার মাপ নয়। এটা একটা ব্যবস্থার মাপ, যেখানে টাকা পাঠানো সহজ করতে যত বিনিয়োগ হয়েছে, থামাতে তার সিকি ভাগও হয়নি। শুরুটা হতে পারে প্রথম পদক্ষেপ দিয়েই: নতুন প্রাপককে প্রথমবার বড় অঙ্ক পাঠালে ৩০ মিনিটের বাধ্যতামূলক বিরতি, যা বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলারেই চালু করতে পারে।

তথ্যসূত্র

  1. দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, “Fraudsters gobble up Tk 926m in 2025”, ১৬ জুন ২০২৬ — লিংক
  2. দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, “How the abuse of Bangla QR threatens Bangladesh’s MFS ecosystem”, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  3. প্রথম আলো (ইংরেজি), “What 63 foreign nationals were doing with various devices in 8-storey building, what police say”, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  4. বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইট (bdlaws), সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬, ধারা ২২ (সাইবার স্পেসে প্রতারণা) — লিংক
  5. বিকাশ, হেল্পলাইন ও যোগাযোগ (১৬২৪৭) — লিংক
  6. যুগান্তর, “নগদ হেল্পলাইন নম্বর ১৬১৬৭”, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ — লিংক
  7. প্রথম আলো, “ব্যাংকে হয়রানির শিকার হলেই ফোন করুন দুটি হটলাইনে” (বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬২৩৬), ১০ মে ২০২৩ — লিংক
  8. পেমেন্ট সিস্টেমস রেগুলেটর (যুক্তরাজ্য), “PS25/5 Consolidated policy statement: APP scams reimbursement requirement”, মে ২০২৫ — লিংক
  9. ভিউজ বাংলাদেশ, “Bangladesh Bank’s new directive on Bangla QR transactions”, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  10. ঢাকা ট্রিবিউন, বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্সবিহীন ঋণ অ্যাপে পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক

হালনাগাদ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলা কিউআর নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বরের সার্কুলার ও লাইসেন্সবিহীন ঋণ অ্যাপ বন্ধের নির্দেশ যোগ; সম্পর্কিত লেখার লিংক যোগ।

এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

ইমেইল অথবা মোবাইল — যেকোনো একটি দিলেই হবে। কোনোটিই প্রকাশ করা হয় না।