খাতা ভুল দেখলে দায় কার? ৫৬ হাজার নম্বর বদলের পর
খাতা ভুল দেখার দায় পরীক্ষকের, আর এ বছর থেকে আইনে তার শাস্তিও লেখা আছে। জুলাইয়ে সংসদে পাস হওয়া সংশোধনীতে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনের নতুন ১০ক ধারায় খাতায় বেশি বা কম নম্বর দিলে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান যুক্ত হয়েছে। কিন্তু যে শিক্ষার্থী ভুল নম্বরের কারণে মাসখানেক “ফেল” তকমা নিয়ে ঘুরল, তার ক্ষতির দায় নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। তার ১৫০ টাকার আবেদন ফিও ফেরত আসে না।
এসএসসি ২০২৬-এর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর। নম্বর বদলেছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন। এই সংখ্যাগুলো কোনো একজন পরীক্ষকের অসাবধানতা বোঝায় না। এগুলো একটা ব্যবস্থার ছবি: তাড়াহুড়োর মূল্যায়নে ভুল এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
মূল কথা
- পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনকারী প্রতি সাতজনে একজনের নম্বর বদলেছে।
- এ বছরই প্রথম পুনর্নিরীক্ষণে খাতার উত্তর নতুন করে মূল্যায়নের সুযোগ যুক্ত হয়েছে।
- খাতায় বেশি-কম নম্বর দেওয়া এখন আইনে অপরাধ, তবে তৃতীয় পরীক্ষকের নির্ধারণ লাগবে।
- নম্বর বদলালেও আবেদন ফি ফেরতের নিয়ম নেই; পুনর্নিরীক্ষণের পর বাকি পথ রিট।
৫৬ হাজার নম্বর বদল আসলে কত বড় ঘটনা?
আগে মূল ফলটা দেখা যাক। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, আগের বছর যা ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
এরপর পুনর্নিরীক্ষণ। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী:
- আবেদন করেছিল ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী, খাতা পুনর্নিরীক্ষণ হয়েছে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি।
- নম্বর বদলেছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের, গ্রেড বদলেছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের।
- ফেল থেকে পাস ৪ হাজার ৫৮৫ জন। সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহ বোর্ডে, ১ হাজার ১৮০ জন।
- নতুন জিপিএ-৫ ৩ হাজার ৭৯ জন। মোট জিপিএ-৫ দাঁড়াল ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৫।
- শুধু ঢাকা বোর্ডেই গ্রেড বদলেছে ৮ হাজার ৯৯৯ জনের, আগের বছর যা ছিল ২ হাজার ৯৪৬।
আবেদনকারীদের প্রায় ১৪ শতাংশের নম্বর বদলেছে, অর্থাৎ প্রতি সাতজনে একজন। একটা হিসাবও কষে রাখি। প্রতি পত্রে ১৫০ টাকা ধরলে ১০ লাখের বেশি খাতার আবেদন ফি দাঁড়ায় আনুমানিক ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ বোর্ডের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার খরচ বহন করেছে শিক্ষার্থীর পরিবার।
পুনর্নিরীক্ষণে কি খাতা নতুন করে দেখা হয়?
এত দিন উত্তরটা ছিল “না”। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডের নিয়মে আগে খাতা পুনর্মূল্যায়নের কোনো বিধান ছিল না। পুনর্নিরীক্ষণ মানে ছিল নম্বর যোগ-বিয়োগে ভুল আছে কি না, কোনো উত্তরে নম্বর দেওয়া বাদ পড়েছে কি না, ওএমআর-এর বৃত্ত ঠিকভাবে ভরাট হয়েছে কি না, এসব দেখা। প্রশ্নের উত্তরটা ঠিকমতো মূল্যায়ন হয়েছে কি না, সেটা দেখা হতো না।
এ বছর প্রথমবার পুনর্নিরীক্ষণের সঙ্গে খাতার পূর্ণ পুনর্মূল্যায়ন যুক্ত হয়েছে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান টিবিএসকে বলেছেন, পূর্ণ পুনর্মূল্যায়ন যুক্ত হওয়াতেই এবার এত বেশি পরিবর্তন এসেছে।
এটা স্বীকার করতে হবে: পুনর্মূল্যায়ন চালু করা ভালো সিদ্ধান্ত। কিন্তু এর ফল একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে আনে। শুধু যোগ-বিয়োগ দেখার বছরগুলোতে কত শিক্ষার্থীর খাতায় এমন ভুল থেকে গেছে, যা কেউ কখনো দেখেনি? প্রথম আলো লিখেছে, ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের চলতি রীতিতে পরীক্ষকদের অল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক খাতা দেখতে হয়। তাড়াহুড়োর দাম দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
ভুল নম্বর দেওয়া পরীক্ষকের কি শাস্তি হয়?
দুই স্তরে ব্যবস্থা আছে। প্রথমটি বোর্ডের প্রশাসনিক ব্যবস্থা। প্রথম আলো জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রথম মূল্যায়নে “অসংগত” নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর নজিরও আছে। ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৪ সালের এসএসসির খাতা মূল্যায়নে দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার জন্য ঢাকা বোর্ড ১৪ জন পরীক্ষককে পাঁচ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করেছিল। এই সময়ে তাঁরা প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক বা নিরীক্ষক হতে পারবেন না।
দ্বিতীয়টি ফৌজদারি। পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ১০০ নং আইন) মূল আইনে ১০ক ধারা যোগ করেছে। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ অনুযায়ী, কেউ পাবলিক পরীক্ষার খাতায় বেশি বা কম নম্বর দিলে (over-assessment বা under-assessment) সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ড হবে। তবে শর্ত আছে: তৃতীয় একজন পরীক্ষক বেশি বা কম নম্বর দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারণ না করলে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
কাগজে বিধানটা কড়া। বাস্তবে প্রশ্ন দুটি। এক, এ বছরের পুনর্মূল্যায়নকারীরাই কি সেই “তৃতীয় পরীক্ষক”? আইনে সেটা স্পষ্ট নয়। দুই, ৫৬ হাজার নম্বর বদলের পেছনে কতজন পরীক্ষক, তাঁদের কতজনের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা হলো, সেই হিসাব এখনো প্রকাশ হয়নি। আমার ধারণা, জেলের ভয় দেখিয়ে এই সমস্যা মিটবে না। ৬০ দিনের ঘড়ি ধরে একজন শিক্ষকের হাতে খাতার স্তূপ তুলে দিয়ে তারপর নির্ভুলতার জন্য জেলের হুমকি দেওয়া অনেকটা ঘড়ির কাঁটা দ্বিগুণ জোরে ঘুরিয়ে সময় বাঁচানোর মতো।
পুনর্নিরীক্ষণের পরও সন্তুষ্ট না হলে কী করা যায়?
বোর্ডের দিক থেকে দরজা বন্ধ। জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী দ্বিতীয়বার পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ নেই। আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিম বানুর ভাষ্য, পুনর্নিরীক্ষণসহ ফল চার ধাপের মূল্যায়ন পেরিয়ে এসেছে। বোর্ড কর্মকর্তারা বলেছেন, সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী আদালতে রিট করতে পারে।
রিট মানে হাইকোর্ট বিভাগে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে আবেদন। একজন কিশোরের কয়েক নম্বরের জন্য এটা ভারী ও ব্যয়বহুল পথ, যদিও খাতায় স্পষ্ট অনিয়মের প্রমাণ থাকলে পথটা খোলা। সমস্যা হলো, প্রমাণ থাকে খাতায়, আর খাতা থাকে বোর্ডের হাতে।
এখানে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ প্রাসঙ্গিক। আইনের ৭ ধারায় কিছু তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, যার একটি (ধারা ৭-এর দফা ধ) হলো “পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বা পরীক্ষায় প্রদত্ত নম্বর সম্পর্কিত আগাম তথ্য”। শব্দটা “আগাম”। আমার পাঠে, ফল প্রকাশের পর নিজের খাতার অনুলিপি চাওয়া এই ছাড়ের আওতায় পড়ার কথা নয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে হয়, না দিলে আপিল ও তথ্য কমিশনে অভিযোগের পথ আছে। তবে বোর্ড খাতার অনুলিপি দেবে কি না, অন্য কোনো ছাড় দেখাবে কি না, আর খাতা কত দিন সংরক্ষিত থাকে, এসব প্রশ্নে কোনো পরীক্ষিত নজির আমি পাইনি। কেউ চেষ্টা করলে আবেদনটা দ্রুত করা ভালো।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এখন কী করবেন?
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি যুগান্তরকে বলেছেন, ফল প্রকাশ হতে পারে ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। এসএসসির অভিজ্ঞতা থেকে একটা ক্রম দাঁড় করানো যায়:
- ফলের দিনই বিষয়ভিত্তিক নম্বর দেখুন। মোট জিপিএ নয়, প্রতিটি পত্রের নম্বর। প্রত্যাশার সঙ্গে বড় ফারাক থাকলে লিখে রাখুন।
- সময়সীমা ধরুন। এসএসসিতে আবেদনের সময় ছিল মাত্র সাত দিন (১১ থেকে ১৭ আগস্ট)। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি বের হওয়ামাত্র তারিখ টুকে নিন।
- শুধু সরকারি পোর্টালে আবেদন করুন। এসএসসিতে আবেদন নেওয়া হয়েছে কেবল অনলাইনে, rescrutiny.eduboardresults.gov.bd-তে। “নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার” প্রস্তাব দেওয়া কারও কাছে যাবেন না।
- কোন পত্রে আবেদন করবেন, বেছে নিন। ফেল করা পত্র আর গ্রেডের সীমানার কাছে থাকা পত্র আগে। এসএসসিতে ফি ছিল প্রতি পত্রে ১৫০ টাকা; এইচএসসির ফি বিজ্ঞপ্তিতে দেখে নিন।
- রসিদ ও লেনদেন নম্বর সংরক্ষণ করুন। ভবিষ্যতে ফি ফেরত বা আইনি পদক্ষেপের দরকার হলে এটাই প্রমাণ।
- ভর্তির কাজ থামিয়ে রাখবেন না। পুনর্নিরীক্ষণের ফল আসতে এসএসসিতে প্রায় এক মাস লেগেছে। বর্তমান ফল দিয়েই ভর্তির প্রক্রিয়া চালিয়ে যান।
- অভিভাবকদের জন্য: এ বছর ৪ হাজার ৫৮৫ জন ফেল করেনি, তাদের খাতা ভুল দেখা হয়েছিল। ফলের দিন বকাঝকার আগে এই সংখ্যাটা মনে রাখুন।
দায় ঠিক করার বাস্তব উপায় কী?
এখনকার ব্যবস্থায় ভুল করে বোর্ড, ভুল ধরানোর খরচ দেয় পরিবার, আর ভুল প্রমাণ হলে “ধন্যবাদ” পর্যন্ত আসে না। দায়বদ্ধতা মানে শুধু পরীক্ষককে শাস্তি নয়, পুরো প্রক্রিয়াকে জবাবদিহির মধ্যে আনা। চারটি পদক্ষেপ এখনই নেওয়া যায়:
- নম্বর বদলালে ফি ফেরত: যে পত্রে নম্বর বদলাবে, সেই পত্রের ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল সেখানে ফেরত যাবে।
- পরীক্ষকভিত্তিক ভুলের হিসাব: কোনো নাম প্রকাশ না করে প্রতিটি বোর্ড বছরে একবার জানাক, কতজন পরীক্ষকের খাতায় পরিবর্তন এসেছে এবং কী ব্যবস্থা হয়েছে।
- খাতার স্ক্যান কপির অধিকার: নির্দিষ্ট ফি দিয়ে শিক্ষার্থী নিজের খাতার স্ক্যান কপি পাবে। তাতে অনেক আবেদনের দরকারই পড়বে না।
- মূল্যায়নের সময় ও নমুনা যাচাই: পরীক্ষকপ্রতি খাতার সংখ্যা কমানো, আর প্রতিটি পরীক্ষকের কিছু খাতা দ্বিতীয়জনকে দিয়ে দেখানো, ফল প্রকাশের আগেই।
প্রথম পদক্ষেপটির জন্য আইন বদলাতে হয় না, একটা বোর্ড-সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। নভেম্বরে এইচএসসির ফলের আগে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ঘোষণা দিতে পারে: পুনর্নিরীক্ষণে যে পত্রের নম্বর বদলাবে, তার ১৫০ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, “SSC results re-scrutiny: 4,585 more pass, 3,079 more secure GPA-5”, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- প্রথম আলো (ইংরেজি), “Why so many errors in answer-sheet evaluation? Questions raised over assessment method”, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “SSC pass rate falls to 62.25%; GPA-5 holders also decline”, ১০ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
- জাগো নিউজ (ইংরেজি), “Can students apply again if unhappy with SSC re-scrutiny results?”, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- প্রথম আলো, “এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু, কীভাবে আবেদন জানাল শিক্ষা বোর্ড”, ১১ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
- বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইট (bdlaws), The Public Examinations (Offences) Act, 1980, ধারা ১০ক (২০২৬ সনের ১০০ নং আইনে সংযোজিত) — লিংক
- ঢাকা পোস্ট, “পাঁচ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত ঢাকা বোর্ডের ১৪ পরীক্ষক”, ১ আগস্ট ২০২৪ — লিংক
- আজকের পত্রিকা, “এইচএসসির ফল প্রকাশ হতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি”, ২১ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
- যুগান্তর, “এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানা গেল”, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
হালনাগাদ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: এইচএসসির সম্ভাব্য ফল প্রকাশের সময় হালনাগাদ; ১০ক ধারা ও ২০২৬ সনের ১০০ নং আইনের তথ্য সরকারি আইন ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রতিবার তথ্য লিখতে হয় না, আর মন্তব্য সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশিত হয়। লগইন বা নিবন্ধন করুন