বেতন দ্বিগুণ, সেবা কি দ্বিগুণ হবে?
সংক্ষেপে উত্তর: নবম জাতীয় বেতনস্কেলে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন গ্রেডভেদে দ্বিগুণ থেকে প্রায় আড়াই গুণ হচ্ছে। কার্যকর ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, পুরো বৃদ্ধি হাতে আসবে জুলাই ২০২৭ থেকে। সেপ্টেম্বরের বেতন অবশ্য পুরোনো স্কেলেই হচ্ছে; নতুন স্কেলে প্রত্যেকের বেতন নির্ধারণের পর জুলাই থেকে বকেয়া সমন্বয় হবে। সেবা দ্বিগুণ হবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর বেতনের আদেশে নেই। থাকার কথাও নয়। সেটা আলাদা করে আইনে বাঁধতে হবে।
প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করি, যাতে কেউ ভুল না বোঝেন। কম বেতন সমস্যা ছিল, সত্যিকারের সমস্যা। সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা দিয়ে একটা পরিবার ২০২৬ সালের ঢাকায় কীভাবে চলে, সেই অঙ্ক যে কেউ বাজারে গিয়ে মিলিয়ে দেখতে পারেন। এই লেখা বেতন বাড়ানোর বিরুদ্ধে নয়।
এই লেখা নাগরিকের দিকের খাতা নিয়ে। বেতন বাড়ানোর খরচ দিচ্ছেন করদাতারা, যার মধ্যে সেই মানুষটাও আছেন যিনি পাসপোর্ট অফিসে বা ভূমি অফিসে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছেন। তাঁর প্রশ্নটা ন্যায্য: আমার পাওনাটা কী?
মূল কথা
- সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ থেকে ২০,০০০ টাকা; মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ৮৬,০০০ থেকে ১,৭২,০০০ টাকা।
- কার্যকর ১ জুলাই ২০২৬; তিন ধাপে পুরো বৃদ্ধি ১ জুলাই ২০২৭ থেকে; সেপ্টেম্বরের বেতন পুরোনো স্কেলে, বকেয়া আসবে আইবাস++-এ নতুন বেতন নির্ধারণের পর।
- টিবিএসের হিসাবে তিন অর্থবছরে বাড়তি ব্যয় ১,০৫,৩৮০ কোটি টাকা।
- সেবার সময়সীমা ভাঙলে কর্মকর্তার দায় আইনে আছে তথ্য অধিকারের মতো অল্প কিছু ক্ষেত্রে; বেশির ভাগ সেবায় সিটিজেন চার্টার শুধু প্রতিশ্রুতি।
বেতন কত বাড়ল, আর কবে হাতে আসবে?
অর্থ মন্ত্রণালয় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ গেজেট প্রকাশ করেছে, আদেশের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর। টিবিএসের প্রতিবেদনে আদেশের ইংরেজি নাম Service (Pay and Allowances) Order, 2026। গ্রেড ২০টি। কয়েকটি অঙ্ক:
- ২০তম গ্রেড: ৮,২৫০ থেকে ২০,০০০ টাকা (১৪২% বৃদ্ধি)।
- ৯ম গ্রেড: ২২,০০০ থেকে ৪৪,০০০ টাকা।
- ১ম গ্রেড: ৭৮,০০০ থেকে ১,৫৬,০০০ টাকা।
- ১২ থেকে ২০তম গ্রেডে বৃদ্ধি ১১৫ থেকে ১৪২%; ১ থেকে ১১তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১০০%।
টাকাটা একবারে আসছে না। ১ থেকে ৯ম গ্রেড জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬-এ পাবেন বৃদ্ধির ৪০%, জানুয়ারি-জুন ২০২৭-এ ৭০%, জুলাই ২০২৭ থেকে পুরোটা। ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের ধাপ ৫০%, ৭৫% ও ১০০%। নিচের গ্রেড আগে বেশি পাচ্ছে, যুক্তিটা বোঝা কঠিন নয়। বাড়িভাড়াসহ ভাতার নতুন হার কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে। প্রথম আলোর হিসাবে সব ভাতা মিলিয়ে সর্বনিম্ন মোট বেতন দাঁড়াবে প্রায় ৩৩,০০০ টাকা।
বেতন কীভাবে ঠিক হয়, আর বকেয়া আসে কেন?
প্রক্রিয়াটা তিন ধাপের। প্রথমে বেতন কমিশন। নবম জাতীয় বেতন কমিশন ২১ সদস্যের, সভাপতি সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান। জানুয়ারি ২০২৬-এ কমিশন সর্বনিম্ন ২০,০০০ আর সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকার সুপারিশ দেয়। তারপর মন্ত্রিসভা; ৩১ আগস্ট স্কেল অনুমোদিত হয়। শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আদেশ, গেজেটে প্রকাশ। খেয়াল করুন, এটা সংসদে পাস হওয়া আইন নয়, সরকারের নির্বাহী আদেশ। আর সুপারিশ ও চূড়ান্ত আদেশ হুবহু মেলেনি: ১ম গ্রেড ১,৬০,০০০ নয়, ১,৫৬,০০০।
বকেয়ার ব্যাপারটা সহজ। স্কেল কার্যকর ধরা হয়েছে অর্থবছরের শুরু, ১ জুলাই থেকে, কিন্তু আদেশ এসেছে সেপ্টেম্বরে। মাঝের আড়াই মাসের পার্থক্যটাই বকেয়া। টিবিএস জানিয়েছে, ওই সময়ে যে বিশেষ ভাতা দেওয়া হয়েছে, তা বকেয়া থেকে সমন্বয় হবে। মানে বকেয়ার পুরো অঙ্ক পকেটে যাবে না, আগে যা পেয়েছেন সেটা বাদ দিয়ে।
কবে পাবেন, সেটা নির্ভর করছে একটা প্রক্রিয়ার ওপর। যুগান্তরের ২২ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের বেতন ২০১৫ সালের স্কেলেই দেওয়া হবে। প্রত্যেক কর্মচারীকে আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমে ঢুকে নির্ধারিত ছকে তথ্য দিতে হবে; তারপর আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা যাচাই করবেন, হিসাবরক্ষণ অফিস অনুমোদন দেবে। এরপরই নতুন বেতন আর জুলাই থেকে বকেয়া। সরকারি কর্মচারী হলে তথ্য দেওয়ার কাজটা দেরি না করে সেরে ফেলুন, আর জমা দেওয়ার প্রমাণ রেখে দিন।
কম বেতন কি সত্যিই সমস্যা ছিল?
ছিল। আগের স্কেল ২০১৫ সালের। এগারো বছরে নিত্যপণ্যের দাম কোথায় গেছে, তা নিয়ে তর্কের দরকার নেই। কমিশন তার যুক্তিতে গত দশকে নিত্যপণ্যের দামের তীব্র বৃদ্ধির কথাই বলেছে। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী জাকির আহমেদ খান বলেছেন, সময়মতো উপযুক্ত বেতনকাঠামো না থাকায় সরকারি কর্মচারীদের সংসার চালানো ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। কথাটা অতিরঞ্জন নয়।
খরচের দিকটাও সমান সত্য। ডেইলি স্টারের হিসাবে সরকারি কর্মচারী ১৪ লাখ, পেনশনভোগী ৯ লাখ। পত্রিকাটির মে মাসের সম্পাদকীয় মনে করিয়ে দিয়েছে, কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের আশপাশে, এশিয়ায় সর্বনিম্নগুলোর একটি। আর মূল্যস্ফীতির ভার বইছেন পোশাকশ্রমিক, দিনমজুর, প্রান্তিক কৃষক, যাঁদের কোনো বেতন কমিশন নেই।
আরেকটা পুরোনো যুক্তি আছে: বেতন কম বলেই ঘুষ। এতে কিছু সত্য আছে, সব নয়। ২০১৫ সালেও বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছিল। তার দশ বছর পরে টিআইবির খানা জরিপ (প্রকাশ ২৫ জুন ২০২৬) বলছে, ৮১.৬% খানা অন্তত একটি সেবা খাতে দুর্নীতির শিকার; সব খাত মিলিয়ে বছরে ঘুষ ১২,৬৩৩.২ কোটি টাকা। পাসপোর্টে ঘুষের হার ৭৬.৬%, ভূমিসেবায় ৪৭.৬%। বেতন একা এই অঙ্ক নামাতে পারেনি; জবাবদিহির ব্যবস্থা না থাকলে এবারও একা পারবে, এমন ভরসা কম।
সময়মতো সেবা না পেলে নাগরিক এখন কী করতে পারেন?
প্রায় প্রতিটি সরকারি অফিসের ওয়েবসাইটে “সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (সিটিজেন্স চার্টার)” নামে একটা তালিকা আছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশিকাও আছে। সেখানে সেবার নাম, ফি, সময় লেখা থাকে। সমস্যা একটাই শব্দে: প্রতিশ্রুতি। সময় পেরোলে কী হবে, দায়ী কে, নাগরিক কী পাবেন, সাধারণত তার কোনো আইনি পরিণতি সেখানে নেই। এটা অনেকটা বিয়ের দাওয়াতে “যথাসময়ে খাবার পরিবেশন করা হবে” লেখার মতো। কেউ অস্বীকার করে না, কেউ দায়ও নেয় না।
ব্যতিক্রম আছে, আর সেটা আমাদের নিজেদের আইনেই। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ৯ ধারায় তথ্য দিতে সর্বোচ্চ ২০ কার্যদিবস। ২৭ ধারায় সময়মতো তথ্য না দিলে তথ্য কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দিনে ৫০ টাকা হারে, সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে, বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশও করতে পারে। অঙ্কটা ছোট, কিন্তু নীতিটা বড়: দেরির দায় ব্যক্তির ঘাড়ে, প্রতিষ্ঠানের কুয়াশায় নয়।
অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস, grs.gov.bd) আরেকটা পথ। নিয়মে সাধারণ অভিযোগ ৩০ কার্যদিবসে নিষ্পত্তির কথা। কিন্তু টিআইবির জরিপে জিআরএসের কথা জানেন মাত্র ১.৪% মানুষ। অভিযোগকারীদের ৫১% কোনো ব্যবস্থাই দেখেননি।
আইন বদলানোর অপেক্ষায় বসে থাকার দরকার নেই। আজকের কাঠামোতেই একজন নাগরিক যা করতে পারেন:
- যে অফিসে যাচ্ছেন, তার ওয়েবসাইট থেকে সিটিজেন চার্টারের সংশ্লিষ্ট অংশের স্ক্রিনশট বা প্রিন্ট রাখুন। সময়সীমা আর ফি তখন আপনার হাতে লিখিত।
- আবেদন লিখিতভাবে দিন, রিসিভড কপি বা আবেদন নম্বর নিন। তারিখ ছাড়া দেরি প্রমাণ করা যায় না।
- সময়সীমা পেরোলে প্রথমে অফিসপ্রধানকে লিখিত তাগাদা, তারপর grs.gov.bd-তে অভিযোগ।
- ফাইল কোথায় আটকে আছে জানতে চাইলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করুন। ২০ কার্যদিবসের ঘড়িটা তখন অফিসের দিকে ঘোরে।
- কেউ টাকা চাইলে দুদকের ১০৬ নম্বর। সেটা আর সেবার দেরির প্রশ্ন নয়, অপরাধের প্রশ্ন।
বাইরের উদাহরণও আছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০১০ সালের পাবলিক সার্ভিস গ্যারান্টি আইনে নির্ধারিত সময়ে সেবা না দিলে দায়ী কর্মকর্তার কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে আবেদনকারীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান আছে; রাজ্য সরকারের নথিতে অঙ্ক ২৫০ থেকে ৫,০০০ রুপি।
সিটিজেন চার্টারকে প্রতিশ্রুতি থেকে অধিকারে বদলাতে কী লাগবে?
বেতন বাড়ানো একটা চুক্তির অর্ধেক। বাকি অর্ধেক লিখতে এই ধাপগুলো লাগবে, ক্রম অনুযায়ী:
- সময়সীমাকে আইন করা। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেবাগুলোর সময়সীমা নির্বাহী নির্দেশিকা থেকে তুলে একটি “সেবা প্রাপ্তির অধিকার” আইনে আনা।
- দেরির জন্য ক্ষতিপূরণ। তথ্য অধিকার আইনের মডেলে দিনভিত্তিক জরিমানা, যার একটা অংশ সরাসরি আবেদনকারীর কাছে যাবে।
- স্বয়ংক্রিয় ধাপোন্নতি। সময় পেরোলেই আবেদনটা নিজে থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার টেবিলে উঠবে। নাগরিককে দৌড়াতে হবে না।
- প্রকাশ্য ড্যাশবোর্ড। প্রতি অফিসের গড় সেবা-সময়, মুলতবি আবেদন আর অভিযোগ নিষ্পত্তির হার, মাসে মাসে অনলাইনে।
- নগদ লেনদেন বন্ধ। সব ফি ডিজিটাল। টিআইবিও সেবাদাতা আর সেবাগ্রহীতার সরাসরি যোগাযোগ কমাতে পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের সুপারিশ করেছে।
- কর্মচারীর দিকটাও দেখা। যে অফিসে দুজনের কাজ একজন করেন, সেখানে জরিমানা ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়, সমস্যাকে নয়। তাই সময়সীমা ঠিক হবে জনবল আর কাজের চাপ মেপে। টিআইবির সুপারিশেও জনবল বাড়ানোর কথা আছে।
শেষ ধাপটা বাদ দিলে পুরো প্রস্তাবটা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগপত্রে পরিণত হয়। সেটা উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হলো, যে কর্মচারী সময়মতো কাজ করেন, তাঁর কাজটা দৃশ্যমান হোক, আর যিনি ফাইল আটকে রাখেন, তাঁর আটকে রাখার একটা দাম থাকুক।
শেষ কথা: চুক্তির বাকি অর্ধেক
বেতন বাড়ানো দরকার ছিল, দেরিতে হলেও হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, পরের ধাপের বেতন যখন জুলাই ২০২৭-এ পুরোটা কার্যকর হবে, তখন একজন নাগরিক কি বলতে পারবেন, “আমার পাসপোর্ট এত দিনে হওয়ার কথা ছিল, হয়নি, তাই আমি এই টাকা ফেরত পাব”? আজ পারেন না।
আমার প্রস্তাব নির্দিষ্ট: জুলাই ২০২৭-এর আগেই টিআইবির জরিপে ঘুষের হারে এগিয়ে থাকা তিনটি সেবা, পাসপোর্ট, বিআরটিএ আর ভূমি, দিয়ে পাইলট শুরু হোক। এই তিন সেবার সময়সীমা আইনি অধিকার হোক, দেরিতে দিনভিত্তিক ক্ষতিপূরণ থাকুক, আর প্রতিটি অফিসের সময়ের হিসাব প্রকাশ্য ড্যাশবোর্ডে উঠুক। এক বছর পর দেখা যাবে কাজ হলো কি না। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের আড়াই সপ্তাহের মাথায় যদি বেতনের গেজেট হতে পারে, দশ মাসে একটা আইনের খসড়াও হতে পারে।
তথ্যসূত্র
- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, “New pay scale gazetted; higher salaries effective from July”, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Government employees to receive new pay scale arrears with next salary”, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- প্রথম আলো (ইংরেজি), “Minimum salary in government jobs is Tk 33,000, what’s the maximum?”, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, “Cabinet approves 2026 pay scale, sets basic salaries from Tk 20,000 to Tk 156,000”, ৩১ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Ninth nat’l pay commission: Up to 142% salary hike pitched”, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার (সম্পাদকীয়), “New pay scale comes with fiscal strain”, ২১ মে ২০২৬ — লিংক
- টিআইবি, প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জাতীয় খানা জরিপ, “Corruption Affects 81.6% of Households…”, ২৫ জুন ২০২৬ — লিংক
- Laws of Bangladesh, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯, ধারা ২৭ — লিংক
- যুগান্তর, “সেপ্টেম্বরের বেতন পুরোনো পে স্কেলেই, কবে থেকে পাওয়া যাবে নতুনটিতে?”, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
হালনাগাদ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বকেয়া পরিশোধের সর্বশেষ তথ্য (সেপ্টেম্বরের বেতন পুরোনো স্কেলে; আইবাস++-এ বেতন নির্ধারণ) যোগ।
এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রতিবার তথ্য লিখতে হয় না, আর মন্তব্য সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশিত হয়। লগইন বা নিবন্ধন করুন