পুলিশ বলল “ওয়ারেন্ট আছে” — প্রথম ২৪ ঘণ্টায় আপনার অধিকার

পুলিশ বলল “ওয়ারেন্ট আছে” — প্রথম ২৪ ঘণ্টায় আপনার অধিকার

পুলিশ “ওয়ারেন্ট আছে” বললেই কথা শেষ হয় না। ওয়ারেন্ট দেখতে চাওয়ার, গ্রেপ্তারের কারণ জানার, কর্মকর্তার পরিচয়পত্র দেখার, আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার অধিকার আপনার আছে। আর ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশকে গ্রেপ্তারের আগে ওয়ারেন্টটি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে মিলিয়ে দেখতে হবে।

নির্দেশনাটির পেছনের গল্পটা শিক্ষণীয়। ২০১২ সালে এক নাগরিককে ভুয়া মামলার ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে রিট হয়। রায় এল ২০২৬ সালে। জাল কাগজ বানাতে লাগে এক বিকেল, সেটা ঠেকানোর নিয়ম বানাতে লাগল তেরো বছর।

এই লেখা একটা শান্ত চিত্রনাট্য। দরজায় পুলিশ এলে কী জিজ্ঞেস করবেন, কী দেখবেন, পরিবার কী করবে। আগে থেকে পড়ে রাখুন। ওই মুহূর্তে কেউ আইনের বই খোলে না।

মূল কথা

  • ওয়ারেন্ট দেখতে চাইলে পুলিশ দেখাতে বাধ্য; তাতে আদালতের সিল ও বিচারকের সই থাকতে হয়।
  • হাইকোর্ট বলেছে, গ্রেপ্তারের আগে ওয়ারেন্ট সিডিএমএসে যাচাই করতে হবে।
  • গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।
  • পরিবারকে জানানোর সময়সীমা নিয়ে আইন ও আপিল বিভাগের নির্দেশনায় ১২ ঘণ্টার ফারাক আছে।

হাইকোর্ট ঠিক কী নির্দেশ দিয়েছে?

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মাওলা সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি নিষ্পত্তি করে। ডেইলি স্টার ও টিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্দেশনাগুলো এমন:

  • কাউকে গ্রেপ্তারের আগে পুলিশ সেন্ট্রাল ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (CDMS) ওয়ারেন্টের সত্যতা যাচাই করবে। আইজিপি এই নির্দেশ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে পাঠাবেন।
  • নালিশি মামলা (complaint case) দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় যাচাই করতে হবে। বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের কাগজ নথিতে যুক্ত থাকবে।
  • সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠাবেন।

রিটটি করেছিল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। টিবিএস লিখেছে, রুল জারি হয়েছিল ৩০ জানুয়ারি ২০১৩। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, সিস্টেমটি তো আগে থেকেই চালু। কথাটা আসলে রায়ের পক্ষেই যুক্তি। যন্ত্র চালু ছিল, ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ছিল না। আদালত এখন সেটাই দিল।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ রায় বা আইজিপির সার্কুলার প্রকাশের খবর আমি পাইনি। ওপরের তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।

পুলিশ কি ওয়ারেন্ট দেখাতে বাধ্য?

হ্যাঁ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা বলছে, যিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল করছেন তিনি গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে এর সারবস্তু জানাবেন এবং চাইলে পরোয়ানাটি দেখাবেন। অর্থাৎ দেখতে চাওয়াটা বেয়াদবি নয়, আইনি অধিকার।

দেখবেন কী? ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালতের জারি করা প্রতিটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিত হবে, বিচারকের সই থাকবে এবং আদালতের সিল থাকবে। সঙ্গে দেখুন আদালতের নাম, মামলার নম্বর, আপনার নাম-ঠিকানা ঠিক আছে কি না। একটা অস্বস্তিকর তথ্যও জেনে রাখুন। একই ধারা বলছে, পরোয়ানা বাতিল বা তামিল না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকে। বহু পুরোনো মামলার পরোয়ানাও তাই আইনত জীবিত থাকতে পারে।

আরেকটা জিনিস অনেকে খেয়ালই করেন না। ৭৬ ধারায় আদালত পরোয়ানার গায়েই লিখে দিতে পারেন যে জামিনদারসহ মুচলেকা দিলে ছেড়ে দিতে হবে। এমন পৃষ্ঠাঙ্কন (endorsement) থাকলে পুলিশ মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য। পরোয়ানার পেছনের পাতাটাও তাই পড়ুন।

গ্রেপ্তারের পর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় আমার অধিকার কী?

সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ দুটি মৌলিক কথা বলে। গ্রেপ্তারের কারণ যথাসম্ভব দ্রুত জানাতে হবে এবং পছন্দের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ ও তাঁর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। আর যাত্রার সময় বাদ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে। ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারে কার্যবিধির ৬১ ধারা একই সীমা টানে। ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তারে ৮১ ধারা বলছে, অকারণ দেরি না করে সংশ্লিষ্ট আদালতে নিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ১১ নং আইন) নতুন ৪৬এ ধারায় গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব লিখে দিয়েছে:

  • নিজের নাম স্পষ্ট দেখা যায় এমনভাবে পরিচয় বহন করবেন, এবং চাইলে গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও উপস্থিত লোকদের পরিচয়পত্র দেখাবেন।
  • গ্রেপ্তারের স্মারক (memorandum of arrest) তৈরি করবেন। তাতে পরিবারের কেউ বা এলাকার একজন সম্মানিত বাসিন্দা সাক্ষী হবেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি সই বা টিপসই দেবেন।
  • বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেপ্তার হলে মনোনীত আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানাবেন।
  • শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলে চিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করাবেন।
  • গ্রেপ্তার ব্যক্তি চাইলে পছন্দের আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেবেন, সম্ভব হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

নতুন ৪৬সি ধারায় প্রতিটি জেলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানার তালিকা রাখার এবং থানায় তা প্রকাশ্যে টাঙানোর বিধান আছে। পরিবারের জন্য এটা কাজের জিনিস।

১২ ঘণ্টা না ২৪ ঘণ্টা?

এখানে একটা সূক্ষ্ম গোলমাল আছে। ২০১৬ সালের ২৪ মে বাংলাদেশ বনাম ব্লাস্ট মামলায় আপিল বিভাগ (৮ এসসিওবি [২০১৬] এডি ১) নির্দেশ দিয়েছিল, গ্রেপ্তারের পর যত দ্রুত সম্ভব, তবে ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিকটাত্মীয়কে জানাতে হবে। এটি ২০০৩ সালের হাইকোর্টের রায়ের (৫৫ ডিএলআর ৩৬৩) ধারাবাহিকতা। ২০২৫ সালে উপদেষ্টা পরিষদে খসড়া অনুমোদনের সময় বিডিনিউজ২৪সহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও ১২ ঘণ্টার কথা লিখেছিল। কিন্তু সরকারি আইন ওয়েবসাইটে ৪৬এ ধারার পাঠে পরিবারকে জানানোর সীমা ২৪ ঘণ্টা, আর ১২ ঘণ্টা লেখা আছে আইনজীবী বা আত্মীয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের ক্ষেত্রে।

আপিল বিভাগের নির্দেশনা বাতিল হয়নি। তাই আমার পড়ায়, পুলিশের জন্য নিরাপদ পথ হলো ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারকে জানানো। আইন লেখার সময় সর্বোচ্চ আদালতের চেয়ে কম সুরক্ষা দেওয়াটা কেন দরকার হলো, সে প্রশ্নের উত্তর আমি কোথাও পাইনি।

পুলিশ কি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে?

পারে, তবে আগের মতো ঢালাওভাবে নয়। সংশোধিত ৫৪ ধারায় সাত বছর বা তার কম সাজার আমলযোগ্য অপরাধে সন্দেহই যথেষ্ট নয়। কর্মকর্তাকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে তদন্ত, আলামত রক্ষা বা আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করতে গ্রেপ্তার জরুরি। গ্রেপ্তারের সময় কারণ লিখে রাখতে হবে। নিবর্তনমূলক আটকের উদ্দেশ্যে এই ধারায় গ্রেপ্তার চলবে না। মনে রাখুন, হাইকোর্টের সিডিএমএস নির্দেশনা ওয়ারেন্টের জন্য। ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারে যাচাই করার মতো কাগজই থাকে না।

দরজায় পুলিশ: কী বলবেন, কী করবেন

  1. গলা নামান, হাত খোলা রাখুন। বাধা দিলে নতুন অভিযোগের ঝুঁকি। তর্ক পরে আদালতে, দরজায় নয়।
  2. পরিচয় চান। “ভাই, আপনার নাম আর পরিচয়পত্রটা একটু দেখাবেন?” এটা ৪৬এ ধারার অধিকার।
  3. ওয়ারেন্ট দেখুন। আদালতের নাম, মামলা নম্বর, তারিখ, সিল, সই, আপনার নাম-ঠিকানা। অনুমতি পেলে ছবি তুলুন, না পেলে কেউ লিখে রাখুক।
  4. যাচাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করুন। “সিডিএমএসে মিলিয়ে দেখা হয়েছে কি? কখন?” উত্তরটা মনে রাখুন বা লিখে রাখুন।
  5. পেছনের পাতা দেখুন। জামিনের পৃষ্ঠাঙ্কন থাকলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পাওয়ার কথা বলুন।
  6. কোন থানায় নেওয়া হচ্ছে জেনে নিন। পরিবারের একজনের নাম ও নম্বর দিন, যাঁকে জানাতে হবে।
  7. স্মারক পড়ে সই দিন। সময় ও তারিখ ঠিক লেখা আছে কি না দেখুন। এই সময়টাই ২৪ ঘণ্টার ঘড়ি চালু করে।
  8. একটা বাক্য মুখস্থ রাখুন। “আমি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে চাই।” এর বেশি ব্যাখ্যা থানায় দেওয়ার দরকার নেই।

পরিবারের কাজ

  • থানায় টাঙানো গ্রেপ্তার তালিকায় নাম আছে কি না দেখুন, ডিউটি অফিসারের কাছে গ্রেপ্তারের সময় জেনে নিন।
  • ওয়ারেন্ট যে আদালতের, সেখানে আইনজীবীর মাধ্যমে মামলার নথি ও আদেশ মিলিয়ে দেখুন এবং জামিনের আবেদন প্রস্তুত করুন।
  • ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আদালতে তোলা না হলে সেটা লিখিতভাবে আদালতের নজরে আনার বিষয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
  • আইনজীবী রাখার সামর্থ্য না থাকলে সরকারি আইনি সহায়তার হেল্পলাইন ১৬৪৩০-এ ফোন করুন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিস থেকে বিনা খরচে আইনজীবী পাওয়া যায়।

আইন তো আছে, মানা হয় কি?

সৎ উত্তর: পুরোপুরি নয়। পরিচয়পত্র দেখানো, স্মারক তৈরি, আত্মীয়কে জানানো, এসব আপিল বিভাগ ২০১৬ সালেই বলে দিয়েছিল। প্রায় দশ বছর পর একই কথা আবার আইনে লিখতে হয়েছে। নির্দেশনা যদি মানা হতো, আইনে তোলার এত তাড়া থাকত না। ২০২৫ সালে অধ্যাদেশ আকারে সংশোধনী আসার পর ডেইলি স্টারে এক নিবন্ধে প্রভাষক সিনথিয়া করিম লিখেছিলেন, সবচেয়ে বড় বাধা নতুন নিয়ম মানতে পুলিশের অনীহা, পুরোনো অভ্যাস আর নজরদারির ভয়। প্রশিক্ষণের ঘাটতি, মানুষের অধিকার-সচেতনতার অভাব এবং স্বাধীন তদারকির ব্যবস্থা না থাকার কথাও তিনি বলেছেন।

৪৬এ ধারা ভাঙলে কর্মকর্তার কী হবে, সেই ধারায় আমি আলাদা কোনো শাস্তির বিধান পাইনি। নিয়ম আছে, দাঁত নেই। সিডিএমএস যাচাইয়ের বেলায়ও একই ঝুঁকি। যাচাই হলো কি না, গ্রেপ্তার হওয়া মানুষটির জানার কোনো উপায় নেই।

শেষ কথা: যাচাইয়ের একটা রসিদ চাই

হাইকোর্টের নির্দেশনা ভালো, কিন্তু এখন তা পুলিশের ভেতরের কাজ। বাইরে থেকে দেখা না গেলে মানা হলো কি না প্রমাণ করা কঠিন। সমাধানটা সস্তা। আইজিপির যে সার্কুলার হাইকোর্ট চেয়েছে, তাতেই গ্রেপ্তারের স্মারকে দুটি ঘর যোগ করা হোক: সিডিএমএস যাচাইয়ের রেফারেন্স নম্বর এবং যাচাইয়ের সময়। একই নম্বর এসএমএসে যাক পরিবারের মনোনীত নম্বরে, সঙ্গে থানার নাম। ম্যাজিস্ট্রেট হাজিরার দিন স্মারকে ওই ঘর ফাঁকা দেখলে প্রশ্ন করবেন। ব্যাংক এক হাজার টাকা তুললেও এসএমএস পাঠায়। একজন মানুষের স্বাধীনতা তুলে নেওয়ার সময় অন্তত সেটুকু আশা করা যায়।

তথ্যসূত্র

  1. দ্য ডেইলি স্টার, “HC orders police to verify arrest warrants through central data system before arrests”, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  2. দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, “HC directs police to verify arrest warrants via central database”, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  3. বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইট, Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2026 (Act No. XI of 2026) — লিংক
  4. বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইট, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, ধারা ৪৬এ (Procedure of arrest and duties of officer making arrest) — লিংক
  5. বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৩৩ — লিংক
  6. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, Bangladesh & ors v BLAST & ors, 8 SCOB [2016] AD 1, রায় ২৪ মে ২০১৬ — লিংক
  7. দ্য ডেইলি স্টার (ল অ্যান্ড আওয়ার রাইটস), “Significance of reforms around arrest processes”, ৭ অক্টোবর ২০২৫ — লিংক
  8. বিডিনিউজ২৪, “CrPC amendment: family must be notified within 12 hours of arrest”, ২৫ জুলাই ২০২৫ (হালনাগাদ ২১ আগস্ট ২০২৬) — লিংক

হালনাগাদ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: আইজিপির সার্কুলারের অবস্থা যোগ, পরিবারের জন্য আইনি সহায়তা হেল্পলাইন যোগ। ৪৬এ ধারার ২৪ ঘণ্টার পাঠ সরকারি আইন ওয়েবসাইটে পুনরায় মিলিয়ে দেখা হয়েছে।

এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

ইমেইল অথবা মোবাইল — যেকোনো একটি দিলেই হবে। কোনোটিই প্রকাশ করা হয় না।