মালয়েশিয়া খুলছে — নোটিশের আগে কাউকে এক টাকাও না
সরকারের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি না আসা পর্যন্ত মালয়েশিয়ার চাকরির জন্য কাউকে টাকা, পাসপোর্ট বা মেডিকেল ফি দেবেন না। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মেডিকেল পরীক্ষা শুরুর তারিখ, চূড়ান্ত অভিবাসন ব্যয় বা প্রথম ফ্লাইটের দিন, কোনোটাই ঘোষণা হয়নি। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিজেই বলেছে, নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত টাকা দেবেন না, মেডিকেল করাবেন না, পাসপোর্ট জমা দেবেন না।
তাহলে এখন যিনি “সিট বুকিং”-এর নামে টাকা চাইছেন, তিনি এমন একটা জিনিস বিক্রি করছেন যা সরকারের হাতেও এখনো নেই।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার খবর গ্রামে পৌঁছায় সরকারি প্রজ্ঞাপনের আগে। দালাল পৌঁছান খবরেরও আগে। আগের দফার অভিজ্ঞতা বলে, এই আগেভাগে পৌঁছানোর দাম শেষ পর্যন্ত দেন কর্মী নিজে, জমি বন্ধক রেখে।
মূল কথা
- ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পেয়েছে, কিন্তু খরচ ও তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
- বিনা খরচের ১০ হাজার কর্মী যাবেন শুধু সরকারি বোয়েসেলের মাধ্যমে।
- মিথ্যা আশ্বাসে টাকা নেওয়া বা পাসপোর্ট আটকে রাখা ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ।
- প্রতারিত হলে সরকারের কাছে অভিযোগ, ফৌজদারি মামলা ও ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলা, তিনটিই সম্ভব।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কি সত্যিই খুলেছে?
খুলছে, তবে দরজা এখনো আধখোলা। আগস্টের শেষে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশের দেওয়া ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা থেকে ২৫টিকে সরাসরি বেছে নিয়েছে। আরও ৩১২টি এজেন্সি কাজ করবে সহযোগী হিসেবে। সঙ্গে থাকছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল (BOESL)। সব মিলিয়ে ৩৩৮। দুই দেশের সমঝোতা স্মারক (MoU) বহাল আছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
সবচেয়ে ভালো খবরটা হলো, মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে ১০ হাজার কর্মী নিতে রাজি হয়েছে কর্মীর কোনো অভিবাসন খরচ ছাড়াই। এই কর্মীরা যাবেন শুধু বোয়েসেলের মাধ্যমে। তাঁদের যাত্রার তারিখও এখনো ঘোষণা হয়নি।
মোট কতজন যাবেন, সেখানে সংখ্যাটা নিয়ে দুই দেশের কথা মেলেনি। ৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর বলেন, ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ কর্মী নেওয়া হবে, প্রক্রিয়া শুরু সেপ্টেম্বরের শেষে। দুই দিন পর মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, দুই লাখের দাবিটি সরকারি সিদ্ধান্ত নয়। অর্থাৎ সংখ্যাটা এক দেশের মন্ত্রীর মুখে আছে, অন্য দেশের কাগজে নেই। দালালের মুখে অবশ্য সংখ্যাটা একেবারে নিশ্চিত।
২১ সেপ্টেম্বরের ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেডিকেল পরীক্ষা কবে শুরু, চূড়ান্ত খরচ কত, কর্মী কবে যাবেন, এর কোনোটাই তখনো ঠিক হয়নি। এজেন্সিগুলো নিজেরাও জানে না।
গতবার সরকারি খরচ আর আসল খরচের ফারাক কত ছিল?
ফারাকটা এত বড় যে একে “ফারাক” বলা ভদ্রতা। ২০২২ সালে সরকার মালয়েশিয়া যাওয়ার সর্বোচ্চ খরচ বেঁধে দিয়েছিল ৭৮,৯৯০ টাকা। ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালে কর্মীরা গড়ে খরচ করেছেন প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। সরকারি হারের প্রায় সাত গুণ।
ওই দফায় ২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মে পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যান। শেষ দিনের ভিড়ে অন্তত ১৬,৯৭০ জন বিএমইটির ছাড়পত্র হাতে নিয়েও যেতে পারেননি। অনেকের টিকিট ছিল না। টাকা তাঁরা আগেই দিয়ে ফেলেছিলেন।
এর পেছনে কয়েকটি এজেন্সির একটি “সিন্ডিকেট” কাজ করেছে বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ আছে। এবারও একই আশঙ্কা তুলছেন রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের সংগঠন বায়রার সাবেক নেতাদের কেউ কেউ। তাঁদের ভাষায়, সহযোগী হিসেবে ৩১২টি এজেন্সি রাখাটা “লোক দেখানো”। অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী অবৈধ লেনদেনের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” ঘোষণা করেছেন। বাসসের খবর অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর বিএমইটির ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সি সিলগালা করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। সেখান থেকে তিন বাক্স পাসপোর্ট জব্দ হয়েছে, যেগুলো মালয়েশিয়াগামীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। বাজার খোলার আগেই তিন বাক্স। কার কথা ঠিক, সেটা বোঝা যাবে কর্মীর পকেট থেকে শেষ পর্যন্ত কত টাকা বের হলো তা দেখে।
দালালকে টাকা দিলে আইন কী বলে?
প্রথম কথা, আপনি টাকা দিয়ে প্রতারিত হলে আইনের চোখে আপনি ভুক্তভোগী। অপরাধী সেই ব্যক্তি, যিনি টাকা নিয়েছেন। মূল আইনটি হলো বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ (২০২৩ সালে সংশোধিত)।
- ধারা ২১: সরকার আদেশ দিয়ে অভিবাসন ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ঠিক করতে পারে। মালয়েশিয়ার জন্য এবারের সীমা এখনো ঘোষণা হয়নি।
- ধারা ৩১: বৈদেশিক চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা বা মূল্যবান জিনিস নেওয়া, বৈধ কারণ ছাড়া কর্মীর পাসপোর্ট-ভিসা আটকে রাখা, কিংবা আইন ভেঙে বিদেশে পাঠানো। শাস্তি অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অন্যূন ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।
- ধারা ৩৩: ভিসা বা চাহিদাপত্র অবৈধ পথে জোগাড় করা বা দেশের ভেতরে কেনাবেচা করা। শাস্তি ২ থেকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অন্যূন ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড। “ভিসা বাণিজ্য” কথাটা তাই শুধু গালি নয়, আইনে এর নির্দিষ্ট দণ্ড আছে।
- ধারা ৩৯: ৩১ ও ৩৩ ধারার অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য। থানা সরাসরি মামলা নিতে পারে।
- ধারা ৩৮: বিচার করবেন প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযোগ গঠনের ৪ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার কথা।
টাকা ফেরতের প্রশ্নে দুটি ধারা বেশি কাজের। ধারা ২৮ অনুযায়ী আইন বা চাকরির চুক্তি লঙ্ঘনে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মী ক্ষতিপূরণের জন্য দেওয়ানি মামলা করতে পারেন, ফৌজদারি মামলার পাশাপাশিই। ধারা ৪১ অনুযায়ী প্রতারণা, অবৈধভাবে টাকা নেওয়া বা চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ সরাসরি সরকারের কাছে করা যায়। সরকারকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে, আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৩ মাসের মধ্যে আদেশ বা সালিশের (arbitration) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়।
আমার পর্যবেক্ষণ, টাকা ফেরত চাইলে ৪১ ধারার পথ অনেক সময় আদালতের দীর্ঘ লাইনের চেয়ে বাস্তবসম্মত। শর্ত একটাই। হাতে কাগজ থাকতে হবে। রসিদ ছাড়া অভিযোগ মানে প্রমাণ ছাড়া দুই পক্ষের কথার লড়াই।
টাকা দেওয়ার আগে কী কী যাচাই করবেন?
- মন্ত্রণালয় বা বিএমইটির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি এসেছে কি না দেখুন। না এলে সেখানেই থামুন। কোনো লেনদেন নয়।
- এজেন্সির নাম ও লাইসেন্স নম্বর বিএমইটির প্রকাশিত তালিকায় মিলিয়ে নিন। মালয়েশিয়ার জন্য অনুমোদিত ৩৩৮টির মধ্যে সেটি আছে কি না, সেটাও দেখুন।
- বিনা খরচের কোটা শুধু বোয়েসেলের। কেউ টাকার বিনিময়ে “বোয়েসেলের সিট” পাইয়ে দেওয়ার কথা বললে বুঝবেন, এটা প্রতারণা।
- প্রতিটি টাকার রসিদ নিন এজেন্সির প্যাডে, সই ও সিলসহ। সম্ভব হলে এজেন্সির ব্যাংক হিসাবে টাকা দিন। নগদ টাকা দিলে তার প্রমাণ থাকে না।
- পাসপোর্ট কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা “দালাল”-এর হাতে দেবেন না। প্রক্রিয়া শুরু হলে শুধু লাইসেন্সধারী এজেন্সিকে দিন, লিখিত প্রাপ্তিস্বীকারসহ।
- চাকরির চুক্তিপত্র পড়ে বুঝে তারপর সই করুন। বেতন, কাজের ধরন, নিয়োগকর্তার নাম আর মেয়াদ মিলিয়ে দেখুন। একটা কপি নিজের কাছে ও পরিবারের কাছে রাখুন।
- বিএমইটি নিবন্ধন, বহির্গমন-পূর্ব প্রশিক্ষণ (pre-departure orientation) আর ছাড়পত্রের স্মার্ট কার্ড নিজে যাচাই করুন। “আমি প্রবাসী” অ্যাপে কিউআর কোডসহ স্মার্ট কার্ড দেখা যায়। কার্ড না থাকলে বুঝবেন, আপনার যাত্রা সরকারি খাতায় ওঠেনি।
রাশিয়া বা ইউরোপের “বড় বেতনের” অফার কেন বেশি বিপজ্জনক?
মালয়েশিয়ার অপেক্ষা যত লম্বা হয়, বিকল্প অফার তত চকচকে হয়। এই বছরের সবচেয়ে ভয়ংকর উদাহরণ রাশিয়া। ফোর্টিফাই রাইটস ও ট্রুথ হাউন্ডসের যৌথ অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে ৩ মার্চ ২০২৬ ডেইলি স্টার জানায়, অন্তত ১০৪ জন বাংলাদেশিকে রুশ বাহিনীতে ঢোকানো হয়েছে, তাঁদের অন্তত ৩৪ জন মারা গেছেন। অনেককে ইউরোপে কারখানার চাকরি বা যুদ্ধের বাইরের সহায়ক কাজের কথা বলে নেওয়া হয়েছিল। মাসে প্রায় দুই হাজার ডলার বেতনের প্রতিশ্রুতি ছিল। তাঁরা সই করেছিলেন রুশ ভাষার চুক্তিতে, কোনো অনুবাদক ছাড়া।
বিপদের লক্ষণগুলো চেনা। বেতন বাজারদরের চেয়ে অস্বাভাবিক বেশি। যাত্রাপথ ঘুরিয়ে তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে। চুক্তি এমন ভাষায় যা আপনি পড়তে পারেন না। আর বিএমইটির ছাড়পত্র ছাড়াই “ভিজিট ভিসায় গিয়ে কাজ” করার পরামর্শ। এর যেকোনো একটা দেখলে পিছিয়ে আসুন। প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে জোরপূর্বক শ্রম বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে পাঠানো মানবপাচারের আওতায় পড়তে পারে। ২০১২ সালের মানবপাচার আইনের জায়গায় এখন ২০২৬ সালের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন প্রযোজ্য, যা জানুয়ারিতে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি হয়েছিল।
প্রতারিত হলে কোথায় অভিযোগ করবেন?
- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হটলাইনে ফোন করুন। দেশ থেকে ১৬১৩৫, বিদেশ থেকে +৮৮-০৯৬১০১০২০৩০।
- রসিদ, চুক্তি, মোবাইল লেনদেনের স্ক্রিনশট আর কথোপকথনের রেকর্ড একসঙ্গে গুছিয়ে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা বিএমইটিতে লিখিত অভিযোগ দিন। ৪১ ধারায় ৩০ কর্মদিবসে তদন্তের সময়সীমা আছে, সেটা মনে করিয়ে দিন।
- টাকা নিয়ে উধাও হলে বা পাসপোর্ট আটকে রাখলে থানায় ৩১ ধারায় মামলা করুন। অপরাধটি আমলযোগ্য।
- ক্ষতির পরিমাণ বড় হলে ২৮ ধারায় ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলার কথা ভাবুন। অভিযোগ, মামলা আর দেওয়ানি দাবি একসঙ্গে চলতে পারে।
শেষ কথা: খরচের সীমা কাগজে থাকলে চলবে না
গতবারও সরকারি খরচের সীমা ছিল। সমস্যা হলো, সীমাটা ছিল প্রজ্ঞাপনে আর আসল লেনদেন ছিল নগদে, রসিদ ছাড়া। ৭৮,৯৯০ টাকার সীমা আর সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার বাস্তবের মাঝখানের টাকাটা কার পকেটে গেছে, সেই হিসাব কোনো সরকারি খাতায় নেই। কারণ খাতাটাই রাখা হয়নি।
আমার প্রস্তাব সহজ। এবার মেডিকেল শুরুর আগেই খাতওয়ারি খরচের সীমা প্রকাশ করা হোক। কর্মীর প্রতিটি টাকা এজেন্সির ব্যাংক হিসাবে যাক আর তার ই-রসিদ “আমি প্রবাসী” অ্যাপে কর্মীর প্রোফাইলে জমা থাকুক। ছাড়পত্র দেওয়ার সময় বিএমইটি দেখবে, মোট পরিশোধ সীমা ছাড়িয়েছে কি না। ছাড়ালে ৪১ ধারার অভিযোগ আপনা-আপনি চালু হবে, কর্মীকে আর থানায় ঘুরতে হবে না। প্রযুক্তি আর আইন দুটোই আছে। দরকার শুধু সিদ্ধান্তটা, আর সেটা নিতে হবে প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার আগে।
তথ্যসূত্র
- বাসস, ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে বিএমইটির ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও পাসপোর্ট জব্দের প্রতিবেদন, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Malaysia to hire 200,000 Bangladeshi workers in six months”, ৩১ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
- বার্নামা, “Claim On Malaysia Recruiting 200,000 Bangladeshi Workers Not Official – Fahmi”, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Malaysia job market reopening: Recruitment clouded by cartel worries”, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Malaysia-bound workers keep asking when they can leave. Recruiters have no answer yet”, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
- এনটিভি অনলাইন, “মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের আগাম অর্থ লেনদেন না করার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের” (হটলাইন নম্বরসহ), ৮ জুলাই ২০২৬ — লিংক
- দ্য ডেইলি স্টার, “Over 100 Bangladeshis sent to the front, 34 dead: report”, ৩ মার্চ ২০২৬ — লিংক
- লজ অব বাংলাদেশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত পাঠ), ধারা ২১, ২৮, ৩১, ৩৩, ৩৮, ৩৯, ৪১ — লিংক
হালনাগাদ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মেডিকেল পরীক্ষা, অভিবাসন খরচ বা ফ্লাইটের তারিখ নিয়ে নতুন কোনো সরকারি ঘোষণা আসেনি। মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা আগের মতোই: আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির আগে কাউকে টাকা দেবেন না, মেডিকেলও করাবেন না।
এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রতিবার তথ্য লিখতে হয় না, আর মন্তব্য সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশিত হয়। লগইন বা নিবন্ধন করুন