গ্যাস নেই, অর্ডার বাতিল — ফোর্স মেজিওর কি আপনাকে বাঁচাবে?
|

গ্যাস নেই, অর্ডার বাতিল — ফোর্স মেজিওর কি আপনাকে বাঁচাবে?

ফোর্স মেজিওর (force majeure) আইনের কোনো স্বয়ংক্রিয় ঢাল নয়। এটা চুক্তির একটা ধারা। আপনার চুক্তিতে সেই ধারা থাকলে তার ভাষাই ঠিক করবে গ্যাস-সংকট আওতায় পড়ে কি না, আর আপনি ঠিক সময়ে ঠিকভাবে নোটিশ দিয়েছেন কি না। ধারা না থাকলে ভরসা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৬। সেই দরজা খুব সরু: খরচ বেড়ে যাওয়া বা লোকসান হওয়া আইনের চোখে “অসম্ভব” নয়।

প্রশ্নটা এখন অনেক কারখানার টেবিলে। জুলাইয়ের শেষ দিকে মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন আর কারিগরি ত্রুটির পর থেকে গ্যাস-সরবরাহ ভেঙে পড়েছে। কারখানা বন্ধ, অর্ডারের সময়সীমা পার, ক্রেতার ইমেইলে “penalty” শব্দটা মোটা হরফে। চেম্বারে এখন যে প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি শুনি, তা হলো: গ্যাস তো আমি বন্ধ করিনি, দায় আমার কেন?

উত্তরটা আবেগে নয়, চুক্তির কাগজে লেখা থাকে। সেই কাগজ কীভাবে পড়বেন, আর এখন কোন কাজগুলো কোন ক্রমে করবেন, সেটাই এই লেখা।

মূল কথা

  • ফোর্স মেজিওর চুক্তির ধারা; ধারা না থাকলে আছে শুধু চুক্তি আইনের ধারা ৫৬।
  • দাম বা খরচ বাড়া সাধারণত চুক্তি থেকে মুক্তি দেয় না।
  • দেরিতে বা মুখে দেওয়া নোটিশ ভালো দাবিকেও দুর্বল করে দেয়।
  • মামলার আগে লিখিত প্রস্তাব আর মধ্যস্থতা প্রায় সবসময় সস্তা পথ।

গ্যাস-সংকট কতটা বড়?

ঢাকা ট্রিবিউনের ১৫ আগস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২১ জুলাই মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ও কারিগরি সমস্যায় দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কমে যায়। তখন সরবরাহ ছিল দিনে ২.০৩ বিলিয়ন ঘনফুট, চাহিদা ৩.৮৫। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, মেঘনা গ্রুপের ৫৭টি কারখানাই বন্ধ, ৬৫ হাজারের বেশি কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত। গাজীপুরে প্রায় ৫২৫টি কারখানার উৎপাদন থেমেছে, হবিগঞ্জে ১৭১টি কারখানা বন্ধ।

সেপ্টেম্বরেও ছবি বদলায়নি। ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ৩ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে দৈনিক চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, সরবরাহ ২ হাজার ৩৩১। পোশাক খাতে উৎপাদন বিঘ্ন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ। ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক ১০৩ পয়েন্ট পড়ে, আর ডেইলি স্টার কারণের তালিকায় গ্যাস-সংকটও রেখেছিল। সংকট যখন কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে, তখন চুক্তির প্রশ্ন আর তাত্ত্বিক থাকে না।

মাঝে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর নাগাদ এলএনজি সরবরাহ প্রায় আগের অবস্থায় ফেরে, মোট সরবরাহ দাঁড়ায় দিনে প্রায় ২,৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বঙ্গোপসাগরে খারাপ আবহাওয়ায় জাহাজ থেকে এলএনজি খালাস ব্যাহত হয়, আর ২৪ সেপ্টেম্বর মোট সরবরাহ আবার প্রায় ২,৩০০-তে নামে। অর্থাৎ ঝুঁকিটা এক দফার নয়। চুক্তিতে এর ব্যবস্থা রাখা এখন জরুরি।

ফোর্স মেজিওর আসলে কী, আইনে কোথায় আছে?

অবাক লাগতে পারে, চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ “ফোর্স মেজিওর” শব্দটাই নেই। এটা পক্ষগুলো নিজেরা চুক্তিতে লেখে: এই এই ঘটনা ঘটলে দায় স্থগিত বা শেষ হবে। আইন এটাকে দেখে শর্তসাপেক্ষ চুক্তি (contingent contract) হিসেবে। ধারা ৩২ বলছে, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ঘটনার ওপর নির্ভরশীল চুক্তি সেই ঘটনা ঘটার আগে বলবৎ করা যায় না, আর ঘটনা অসম্ভব হয়ে গেলে চুক্তি বাতিল হয়।

এই কাঠামোটা পরিষ্কার করে বলেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, Energy Watchdog v. Central Electricity Regulatory Commission (২০১৭) মামলায়। আমাদের চুক্তি আইন আর ভারতের চুক্তি আইন একই ১৮৭২ সালের আইন থেকে এসেছে, তাই রায়টি বাংলাদেশের আদালতে বাধ্যতামূলক নয়, তবে প্রভাবশালী (persuasive)। আদালত বলেছেন, চুক্তিতে ফোর্স মেজিওর ধারা থাকলে তা চলে ধারা ৩২-এর অধীনে; চুক্তির বাইরে কিছু ঘটলে প্রযোজ্য হয় ধারা ৫৬। আর চুক্তির ধারাটি ঘটনার ক্ষেত্রে খাটলে ধারা ৫৬-এর আর সুযোগ থাকে না।

ব্যবহারিক মানে: আগে নিজের চুক্তি পড়ুন। আইনের সাধারণ নীতি আসে পরে।

চুক্তিতে ধারা না থাকলে ধারা ৫৬ কি বাঁচাবে?

অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসার চুক্তি আসলে একটা ক্রয়াদেশ, একটা ইমেইল আর একটা ফোনালাপ। সেখানে ফোর্স মেজিওর ধারা থাকার প্রশ্নই ওঠে না। তখন ভরসা ধারা ৫৬-এর দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: চুক্তি হওয়ার পর কোনো কাজ অসম্ভব হয়ে গেলে, বা প্রতিশ্রুতিদাতা ঠেকাতে পারেননি এমন ঘটনায় বেআইনি হয়ে গেলে, সেই কাজের চুক্তি বাতিল (void) হয়ে যায়।

“অসম্ভব” শব্দটা আক্ষরিক নয়। এনার্জি ওয়াচডগ রায়ে ভারতের পুরোনো নজির সত্যব্রত ঘোষ মামলার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, চুক্তির ভিত্তিই পুরোপুরি উল্টে গেলে সেটাও অসম্ভবের মধ্যে পড়ে। কিন্তু একই রায়ে আদালত স্পষ্ট বলেছেন, কয়লার দামের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে চুক্তি পালনের দায় থেকে মুক্তি দেয় না। শুধু খরচ বাড়লে চুক্তি অসম্ভব হয় না।

গ্যাস-সংকটে এর মানে কঠিন। গ্যাস না পেয়ে ডিজেল জেনারেটরে কারখানা চালানো ব্যয়বহুল, কিন্তু আদালতের চোখে সম্ভবত অসম্ভব নয়। ঢাকা ট্রিবিউনে এক প্রতিষ্ঠানের ডিজেল খরচ ৩৯০ শতাংশ বাড়ার খবর এসেছে; সেটা লোকসানের গল্প, অসম্ভবতার নয়। অন্যদিকে নির্দিষ্ট কারখানা থেকে নির্দিষ্ট তারিখে সরবরাহের চুক্তি, যেখানে বিকল্প উৎস নেই আর কারখানা সপ্তাহের পর সপ্তাহ পুরো বন্ধ, সেখানে যুক্তিটা শক্ত হয়। প্রতিটি মামলা ঘটনার ওপর দাঁড়ায়। সৎভাবে বললে, ধারা না থাকলে বেশির ভাগ ব্যবসার জন্য ধারা ৫৬ সরু দরজা।

চুক্তিতে ধারা থাকলে কী দেখবেন?

ধারা আছে বলেই নিশ্চিন্ত হওয়ার কারণ নেই। আদালত এসব ধারা সাধারণত সংকীর্ণভাবে পড়েন। পড়ার সময় এই প্রশ্নগুলো করুন:

  • ঘটনার তালিকায় কী আছে? “জ্বালানি বা ইউটিলিটি সরবরাহে বিঘ্ন”, “সরকারি রেশনিং” জাতীয় শব্দ আছে, নাকি শুধু যুদ্ধ, বন্যা, মহামারি?
  • “যুক্তিসংগত নিয়ন্ত্রণের বাইরে” শর্তটি কীভাবে লেখা? বিকল্প জ্বালানি থাকলে প্রতিপক্ষ বলবে, ঘটনা আপনার নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
  • খরচ বা দামের বৃদ্ধি স্পষ্টভাবে বাদ দেওয়া আছে কি না।
  • নোটিশ কত দিনের মধ্যে, কোন মাধ্যমে, কী প্রমাণসহ দিতে হবে।
  • ফল কী: দায় স্থগিত, সময় বাড়ানো, নাকি নির্দিষ্ট দিন পর চুক্তি বাতিলের অধিকার।
  • বিরোধ নিষ্পত্তির ধারা: কোন দেশের আইন, আদালত না সালিস।

অর্ডার ঝুঁকিতে পড়লে এখনই কী করবেন?

  1. চুক্তি আর সব সংশ্লিষ্ট কাগজ এক জায়গায় আনুন। ক্রয়াদেশ, ক্রেতার সাধারণ শর্তাবলি, ইমেইল। কখনো কখনো ফোর্স মেজিওর ধারা থাকে ক্রয়াদেশে উল্লেখ করা ক্রেতার আলাদা শর্তাবলিতে।
  2. লিখিত নোটিশ দিন, দেরি না করে। কী ঘটেছে, কবে থেকে, কোন দায়িত্বে প্রভাব পড়ছে, আনুমানিক কত দিন। চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমা থাকলে সেটা মেনে।
  3. প্রমাণ জমা রাখুন। গ্যাস বিতরণ কোম্পানির নোটিশ বা চিঠি, কারখানার গ্যাসচাপের দৈনিক রেকর্ড, উৎপাদন লগ, জেনারেটরের জ্বালানি বিল, সংবাদ প্রতিবেদন। তারিখসহ।
  4. ক্ষতি কমানোর চেষ্টা দেখান। ধারা ৭৩-এর ব্যাখ্যা বলছে, ক্ষতিপূরণ হিসাবের সময় অসুবিধা দূর করার যে উপায় ছিল তা বিবেচনায় নিতে হবে। বিকল্প জ্বালানি, আংশিক চালান, অন্য ইউনিটে কাজ সরানো, যা চেষ্টা করেছেন তা লিখে রাখুন।
  5. জরিমানার ধারা পড়ুন, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না। ধারা ৭৪ অনুযায়ী চুক্তিতে নির্দিষ্ট অঙ্ক লেখা থাকলেও আদালত দেন যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ, সেই অঙ্কের বেশি নয়। লেখা অঙ্কটা সর্বোচ্চ সীমা, স্বয়ংক্রিয় বিল নয়।
  6. লিখিত প্রস্তাব দিন। নতুন সময়সূচি, আংশিক সরবরাহ, বাড়তি খরচ ভাগাভাগি। দর-কষাকষির চিঠিতে “without prejudice” উল্লেখ করা যায় কি না, আইনজীবীর সঙ্গে দেখে নিন।
  7. মামলার আগে মধ্যস্থতা। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের পর প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো হাজির থাকলে আদালতকে মামলাটি মধ্যস্থতায় পাঠাতে হয়, আর মধ্যস্থতা শেষ করতে হয় ৬০ দিনে (প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন)। মামলা করে সেখানে পৌঁছানোর চেয়ে আগেই নিজেরা মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করা কম খরচের। চুক্তিতে সালিসের ধারা থাকলে পথ সালিস আইন, ২০০১।

ভবিষ্যতের চুক্তিতে কী লিখে রাখবেন?

এই সংকটের একমাত্র লাভ হতে পারে পরের চুক্তিটা ভালো করে লেখা। খসড়ার সময় যে বিষয়গুলো দেখবেন:

  • ফোর্স মেজিওরের সংজ্ঞায় জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সরকারি বা ইউটিলিটি পর্যায়ের বিঘ্ন সরাসরি উল্লেখ।
  • নোটিশের নির্দিষ্ট সময় (যেমন ঘটনা জানার ৭ দিনের মধ্যে) আর গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ধরন।
  • প্রথমে দায় স্থগিত, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পেরোলে তবেই বাতিলের অধিকার।
  • মূল্য সমন্বয় (price escalation) বা জ্বালানি সারচার্জ, সরকারি ঘোষিত জ্বালানি বা বিদ্যুতের দামের সঙ্গে সূত্র বেঁধে।
  • কঠিন পরিস্থিতিতে পুনরালোচনার (hardship) ধারা, যেখানে খরচ নির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়ালে দুই পক্ষ আলোচনায় বসবে।
  • বিলম্ব-জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা, আর আগে আলোচনা, তারপর মধ্যস্থতা, তারপর সালিস, এমন ধাপে ধাপে বিরোধ নিষ্পত্তি।

সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বেড়েছে, তাই মূল্য সমন্বয়ের ধারাটা এখন আর সৌখিন বিষয় নয়। ছোট ব্যবসার কোন চুক্তিগুলো লিখিত রাখা দরকার, তা নিয়ে আলাদা লেখা: ছোট ব্যবসার জন্য যে পাঁচটা চুক্তি লিখিত থাকা উচিত।

শেষ কথা: প্রমাণের দায় ব্যবসার, প্রমাণের উৎস রাষ্ট্রের

কঠিন সত্যটা হলো, গ্যাস না থাকাটা আপনার দোষ নয়, কিন্তু সেটা প্রমাণ করা আপনার দায়। আর ফোর্স মেজিওরের মামলায় জেতে সাধারণত সেই পক্ষ, যার কাছে তারিখসহ কাগজ বেশি। এখানে একটা অদ্ভুত ফাঁক আছে। কোন এলাকায় কোন দিন কত চাপে গ্যাস গেছে, সেই তথ্য আছে বিতরণ কোম্পানির কাছে, ব্যবসার কাছে নয়।

আমার প্রস্তাব সহজ। পেট্রোবাংলার অধীন গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো সংকটকালে এলাকা ও তারিখভিত্তিক সরবরাহ-বিঘ্নের তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করুক, আর কোনো গ্রাহক চাইলে তাঁর সংযোগের জন্য একটি তারিখযুক্ত সরবরাহ-বিঘ্ন সনদ দিক। খরচ সামান্য। কিন্তু বিদেশি ক্রেতার টেবিলে সরকারি সিলমোহরের একটা কাগজ হাজারটা ব্যাখ্যামূলক ইমেইলের চেয়ে বেশি কাজ করে।

তথ্যসূত্র

  1. ঢাকা ট্রিবিউন, “Gas crisis stalls industries, puts Bangladesh economy at risk”, ১৫ আগস্ট ২০২৬ — লিংক
  2. দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, “Gas crisis continues to hit industries, transport and households”, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  3. দ্য ডেইলি স্টার, “Stocks plunge over 100 points as sell-off spreads”, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২ (The Contract Act, 1872), ধারা ৩২, ৫৬, ৭৩ ও ৭৪, বাংলাদেশ আইনের সংকলন (bdlaws) — লিংক
  5. ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, Energy Watchdog v. Central Electricity Regulatory Commission, ১১ এপ্রিল ২০১৭, (2017) 14 SCC 80 — লিংক
  6. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (The Code of Civil Procedure, 1908), ধারা ৮৯ক, বাংলাদেশ আইনের সংকলন (bdlaws) — লিংক
  7. সালিস আইন, ২০০১, বাংলাদেশ আইনের সংকলন (bdlaws) — লিংক
  8. দ্য ডেইলি স্টার, “Bangladesh LNG supply drops 300 mmcfd due to bad weather at Moheshkhali”, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ — লিংক

হালনাগাদ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: গ্যাস সরবরাহের সর্বশেষ অবস্থা (১৫ সেপ্টেম্বরের উন্নতি, ২১–২৪ সেপ্টেম্বরের নতুন ঘাটতি) যোগ; সম্পর্কিত লেখার লিংক যোগ।

এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

ইমেইল অথবা মোবাইল — যেকোনো একটি দিলেই হবে। কোনোটিই প্রকাশ করা হয় না।