ইউটিউবারের আয় করমুক্ত — তবু রিটার্ন, বিআইএন আর চুক্তি লাগবে কেন

ইউটিউবারের আয় করমুক্ত — তবু রিটার্ন, বিআইএন আর চুক্তি লাগবে কেন

হ্যাঁ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট তৈরি থেকে আসা আয় করমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু করমুক্ত মানে কাগজমুক্ত নয়। আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী যিনি করমুক্ত আয় পান, তাঁকেও রিটার্ন দিতে হয়। রিটার্ন না দিলে ওই বছরের করছাড়টাই হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি আছে।

১১ জুন বাজেট বক্তৃতায় ঘোষণাটা আসার পর থেকে চেম্বারে একটা প্রশ্ন প্রায়ই শুনি: “কর তো নেই, তাহলে রিটার্ন দিয়ে কী হবে?” প্রশ্নটা যুক্তিসংগত শোনায়। সমস্যা হলো, কর আইন যুক্তির চেয়ে ফরম বেশি ভালোবাসে।

ব্যাপারটা দাওয়াতের মতো। খাওয়া বিনা পয়সায়, কিন্তু গেটে আপনার নামটা তালিকায় থাকতে হবে। নাম না থাকলে বিরিয়ানির গন্ধ পাবেন, প্লেট পাবেন না।

মূল কথা

  • অর্থ আইন, ২০২৬-এ কনটেন্ট তৈরি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয় করমুক্ত; সংজ্ঞা ও শর্ত নিয়ে এনবিআরের ব্যাখ্যা এখনো আসেনি।
  • করমুক্ত আয় পেলেও আয়কর আইনের ধারা ১৬৬ অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
  • রিটার্ন না দিলে ধারা ৭৬(৫) অনুযায়ী সেই বছরের করছাড় হারানোর ঝুঁকি।
  • পেজে পণ্য বিক্রির আয় এই ছাড়ের বাইরে; স্পনসরশিপ কোন ঘরে পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

বাজেটে ঠিক কী ছাড় দেওয়া হয়েছে?

দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ১১ জুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সব ধরনের কনটেন্ট তৈরি থেকে আসা আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব দেন। পথটা আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিল সংশোধন। বাজেটের আগে ৭ জুন দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছিল, এত দিন সেবা ও রেভিনিউ শেয়ারিং বাবদ বিদেশ থেকে আসা এ ধরনের আয়ে ৭.৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হতো। ছাড়টি ব্যক্তির জন্য, মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়। আর “কনটেন্ট ক্রিয়েটর” কে, সেই সংজ্ঞা ঠিক করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

ভ্যাটের দিকেও প্রস্তাব ছিল। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সেবায় পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতি প্রস্তাব করা হয়, মেয়াদ ৩০ জুন ২০৩৫ পর্যন্ত। জুনের শেষে সংসদে অর্থ বিল পাস হয়। চূড়ান্ত আইনে সামাজিক মাধ্যম, ওটিটি ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপনের ভ্যাট ১৫ থেকে ৫ শতাংশে নামে। সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা হয় ৪ লাখ টাকা।

পাস হওয়া অর্থ আইন, ২০২৬-এর সারসংক্ষেপে পিডব্লিউসি জানিয়েছে, ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট তৈরি থেকে আসা আয় আয়করমুক্ত, আর কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবা ভ্যাটমুক্ত সেবার তালিকায় উঠেছে। তবে শর্ত, মেয়াদ বা “কনটেন্ট ক্রিয়েটর”-এর সংজ্ঞা নিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এনবিআরের কোনো ব্যাখ্যা আমি পাইনি। ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা আনার কথাটা এসেছিল বাজেট বক্তৃতায়; নিরাপদ থাকতে টাকা ব্যাংকের মাধ্যমেই আনুন। সংবাদ শিরোনাম আর গেজেটের ভাষা সব সময় এক কথা বলে না।

আয় করমুক্ত হলে রিটার্ন দিতে হবে কেন?

কারণ আইন সরাসরি তা-ই বলে। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৬(১)(ঘ) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আয়বর্ষে এমন আয় পেলে রিটার্ন দিতে বাধ্য, “যাহা অংশ ৬ এর প্রথম অধ্যায়ের অধীন কর অব্যাহতি বা হ্রাসকৃত করহার সুবিধাপ্রাপ্ত”। ষষ্ঠ তফসিলের ছাড়গুলো কার্যকর হয় ধারা ৭৬-এর মাধ্যমে, যা ওই অংশ ৬-এর প্রথম অধ্যায়েই।

এরপর ধারা ৭৬(৫)। সেখানে বলা আছে, ধারা ১৬৬ ও ১৭১ মেনে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে কোনো ব্যক্তির আয় সেই করবর্ষে কর অব্যাহতি পাবে না। শর্তাংশে কয়েকটি নির্দিষ্ট দফাকে এর বাইরে রাখা হয়েছে। নতুন কনটেন্ট-আয়ের দফা সেই ব্যতিক্রমের তালিকায় আছে কি না, চূড়ান্ত পাঠে দেখতে হবে। না থাকলে হিসাবটা নিষ্ঠুর রকম সরল: রিটার্ন নেই তো ছাড়ও নেই।

দ্বিতীয় কারণটা ভবিষ্যতের। ধরুন তিন বছর চ্যানেল চালিয়ে গাড়ি কিনলেন। ধারা ১৬৭ অনুযায়ী মোটরগাড়ির মালিক হলে, বা মোট সম্পদ ৫০ লাখ টাকা ছাড়ালে, পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী দিতে হয়। তখন প্রশ্ন আসবে, টাকা এল কোথা থেকে। প্রতিবছরের রিটার্নে করমুক্ত আয় হিসেবে দেখানো থাকলে উত্তর তৈরি। না থাকলে আপনার সৎ আয়ের টাকাও কাগজে “অব্যাখ্যাত সম্পদ” হয়ে বসে থাকবে।

তৃতীয় কারণ দৈনন্দিন। ধারা ২৬৪ অনুযায়ী অনেক সেবায় রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ (PSR) লাগে। যেমন ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ, ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত, সিটি করপোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, ই-কমার্স লাইসেন্স নবায়ন। স্টুডিওর জন্য ঋণ নিতে গেলে ব্যাংক আগে এই কাগজটাই চাইবে।

ইউটিউবের আয় আর পেজে পণ্য বিক্রির আয় কি একই?

না। ছাড়টা কনটেন্ট তৈরির আয়ের জন্য। ফেসবুক পেজে শাড়ি, প্রসাধনী বা গ্যাজেট বিক্রি করলে সেটা ব্যবসার আয়। ভিডিও যত সুন্দরই হোক, ক্যাশ মেমো দেখে এনবিআর তাকে “কনটেন্ট” বলবে না। ওই আয় সাধারণ নিয়মে করযোগ্য, করমুক্ত সীমা ৪ লাখ টাকা মাথায় রেখে।

ছোট উদ্যোক্তার জন্য বাজেট প্রস্তাবে টার্নওভার করমুক্তির সীমা বছরে ৫০ লাখ টাকা, নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তার জন্য ৭০ লাখ টাকা রাখার কথা বলা হয়েছিল। চূড়ান্ত সীমা অর্থ আইনে মিলিয়ে নিন।

অনলাইনে পণ্য বিক্রেতার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২২ সালেই ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (DBID) বাধ্যতামূলক করেছিল। জুলাই ২০২৬-এ মন্ত্রণালয় একটি খসড়া নীতি প্রকাশ করে, যাতে মেটা, গুগল, ইউটিউব, টিকটকের মতো বিদেশি প্ল্যাটফর্মকেও DBID নিতে হবে। ঢাকা ট্রিবিউন জানিয়েছিল, ৬ আগস্ট পর্যন্ত মতামত নেওয়ার কথা ছিল। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এটিকে খসড়া হিসেবেই ধরুন।

বিআইএন (Business Identification Number) ভ্যাটের দিকের পরিচয়পত্র। এনবিআরের নির্দেশিকা বলছে, দরপত্রে অংশ নেওয়া, ব্যাংকিং কার্যক্রম, আমদানি-রপ্তানির মতো স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কাজে ভ্যাট নিবন্ধন ও বিআইএন লাগে। শুধু ভিডিও বানালে এবং সেবাটি ভ্যাট অব্যাহতির আওতায় থাকলে বিআইএনের প্রয়োজন সীমিত। কিন্তু পণ্য বেচলে, এজেন্সি খুললে বা করপোরেট ক্লায়েন্টকে নিয়মিত বিল দিলে প্রশ্নটা আসবেই। এক অ্যাকাউন্টে সব টাকা মেশাবেন না। কনটেন্টের আয় এক হিসাবে, ব্যবসার আয় আরেক হিসাবে রাখুন।

স্পনসরশিপ চুক্তিতে কী কী লিখবেন?

ব্র্যান্ডের টাকা করমুক্ত ছাড়ের ঘরে পড়বে কি না, সেটা এনবিআরের সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করবে। কিন্তু চুক্তির দরকার সংজ্ঞার অপেক্ষা করে না। ইনবক্সে “ভাই, একটা রিভিউ করে দেন” দিয়ে যে সম্পর্ক শুরু হয়, তা প্রায়ই শেষ হয় “ভাই, পেমেন্ট কবে?” দিয়ে। লিখিত চুক্তিতে অন্তত এগুলো রাখুন:

  1. কাজের তালিকা (deliverables): কয়টি ভিডিও বা পোস্ট, দৈর্ঘ্য, প্ল্যাটফর্ম, প্রকাশের তারিখ, কত দিন রেখে দিতে হবে।
  2. অনুমোদন প্রক্রিয়া: স্ক্রিপ্ট কতবার সংশোধন হবে, ব্র্যান্ড কত দিনের মধ্যে মত দেবে।
  3. ব্যবহারস্বত্ব (usage rights): ব্র্যান্ড আপনার ভিডিও নিজের পেজে বা পেইড বিজ্ঞাপনে কত দিন, কোন মাধ্যমে চালাতে পারবে। বুস্ট করতে চাইলে আলাদা ফি। কপিরাইট কার থাকবে।
  4. এক্সক্লুসিভিটি: কত দিন প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের কাজ করা যাবে না, তার জন্য বাড়তি টাকা।
  5. পেমেন্ট: অঙ্ক, অগ্রিম কত, বাকিটা কবে, দেরি হলে কী, টাকা কোন ব্যাংক হিসাবে যাবে।
  6. উৎসে কর: কোম্পানি সেবার বিল পরিশোধের সময় আয়কর আইনের ধারা ৯০ অনুযায়ী উৎসে কর কাটতে পারে। কাটা হলে কর কর্তনের সনদ (certificate) দেওয়ার দায় চুক্তিতে লিখুন। ওই সনদ আপনার রিটার্নে কাজে লাগবে।
  7. পেইড প্রমোশনের ঘোষণা: ভিডিওতে যে স্পনসর আছে, দর্শককে তা স্পষ্ট জানানো হবে। ইউটিউবে এর জন্য নিজস্ব “পেইড প্রমোশন” ঘোষণার ব্যবস্থা আছে। গোপন বিজ্ঞাপন ধরা পড়লে ক্ষতিটা ব্র্যান্ডের চেয়ে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতার বেশি।
  8. দাবির দায় (indemnity): পণ্যের গুণাগুণ নিয়ে যা বলবেন, তা ব্র্যান্ডের লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে। ভুল তথ্যের দায় ব্র্যান্ডের।
  9. বাতিল ও বিরোধ নিষ্পত্তি: কে কোন নোটিশে চুক্তি বাতিল করতে পারবে, আর বিরোধ হলে আগে মধ্যস্থতা (mediation), তারপর অন্য পথ।

বিদেশ থেকে আসা টাকার কাগজ কীভাবে গুছিয়ে রাখবেন?

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজেট বক্তৃতায় ফ্রিল্যান্সারদের আয় আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত করা হয়েছে। করমুক্ত আয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ ব্যাংকের স্টেটমেন্ট। হুন্ডি বা অনানুষ্ঠানিক পথে আসা টাকা কাগজে দেখা যায় না। পরে সেটা করমুক্ত আয় বলে দাবি করাও কঠিন।

  • প্ল্যাটফর্মের মাসিক পেমেন্ট রিপোর্ট ডাউনলোড করে বছরভিত্তিক ফোল্ডারে রাখুন।
  • ব্যাংক বিদেশি আয় জমার সময় যে সনদ বা অ্যাডভাইস দেয়, তা সংগ্রহ করুন।
  • ছাড় চালুর পরও ব্যাংক উৎসে কর কাটলে লিখিত কারণ ও কর্তনের সনদ চান। ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী একটি ব্যাংক বাজেটের আগেই স্বেচ্ছায় এ ধরনের কর্তন বন্ধ করে ফেরত দেওয়া শুরু করেছিল।
  • রিটার্নে এই আয় “করমুক্ত আয়” ঘরে দেখান, সাধারণ আয়ের সঙ্গে মেশাবেন না।

শেষ কথা: ছাড়টা ভালো, ফাঁকটা বড়

কনটেন্ট তৈরির আয় করমুক্ত করা তরুণদের জন্য সত্যিকারের সুবিধা। কিন্তু এখন তিনটি অস্পষ্টতা ঝুলে আছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সংজ্ঞা কী। স্পনসরশিপ ও অ্যাফিলিয়েট আয় ছাড়ের ভেতরে কি না। আর দেশীয় কোম্পানি উৎসে কর কাটবে কি না। অস্পষ্ট আইনে সবচেয়ে বেশি ভোগে সেই মানুষ, যে নিয়ম মানতে চায়।

আমার প্রস্তাব সোজা। এনবিআর এক পাতার একটি ব্যাখ্যামূলক পরিপত্র দিক। তাতে সংজ্ঞা থাকবে, কোন কোন আয় ছাড়ের আওতায় তার তালিকা থাকবে, আর ই-রিটার্নে “কনটেন্ট তৈরি থেকে করমুক্ত আয়” নামে আলাদা একটি ঘর যোগ হবে। ততদিন নিজের কাজটা করুন: এ বছরের রিটার্নে আয়টা দেখান। ছাড় পেতে হলে আগে হাজিরা দিতে হয়।

তথ্যসূত্র

  1. দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, “2027 budget offers tax-free status for content creators, startups, innovative ventures”, ১১ জুন ২০২৬ — লিংক
  2. দ্য ডেইলি স্টার, “Govt plans tax relief for content creators”, ৭ জুন ২০২৬ — লিংক
  3. ঢাকা ট্রিবিউন, “Budget proposes VAT relief for startups, freelancers, content creators”, ১১ জুন ২০২৬ — লিংক
  4. দ্য ডেইলি স্টার, “Money whitening provision ends, tax-free income threshold raised”, ৩০ জুন ২০২৬ — লিংক
  5. প্রথম আলো (ইংরেজি), “Budget 2026–27: Tax exemptions for freelancers”, ১২ জুন ২০২৬ — লিংক
  6. আয়কর আইন, ২০২৩, ধারা ১৬৬ (রিটার্ন দাখিল), bdlaws.minlaw.gov.bd — লিংক; ধারা ৭৬ (কর অব্যাহতি) — লিংক; ধারা ২৬৪ (রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ) — লিংক
  7. দ্য ডেইলি স্টার, “Biz ID made mandatory for all online sellers”, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ — লিংক
  8. ঢাকা ট্রিবিউন, “Govt drafts policy for mandatory registration of digital ads”, ২৮ জুলাই ২০২৬ — লিংক
  9. পিডব্লিউসি বাংলাদেশ, অর্থ আইন ২০২৬-এর মূল সংশোধনী — লিংক

হালনাগাদ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬: অর্থ আইন, ২০২৬-এ করছাড় ও ভ্যাট অব্যাহতি পাস হওয়ার তথ্য যোগ; অর্থমন্ত্রীর নামের বদলে পদ ব্যবহার।

এই লেখা সাধারণ আইনি ও নীতিগত তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। তথ্য ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

ইমেইল অথবা মোবাইল — যেকোনো একটি দিলেই হবে। কোনোটিই প্রকাশ করা হয় না।