গোপনীয়তা নীতি

সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

barristerrasel.com ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেলের ব্যক্তিগত ব্লগ। সাইটে এলে বা কোনো ফর্ম পূরণ করলে আপনার কোন তথ্য আমার কাছে আসে, কেন আসে, কত দিন থাকে আর সে বিষয়ে আপনার কী অধিকার আছে, এই পাতায় তা জানিয়ে রাখছি। নীতিটি ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ মেনে লেখা।

সংক্ষেপে

  • সাইটে কোনো বিজ্ঞাপন নেই। ভিজিটর ট্র্যাক করার অ্যানালিটিক্স বা ফেসবুক পিক্সেলও নেই।
  • আপনি নিজে যা লিখে পাঠান (নাম, ইমেইল, মোবাইল নম্বর, বার্তা), শুধু সেটুকুই রাখি।
  • আপনার তথ্য বিক্রি করি না, বিজ্ঞাপনের জন্য কাউকে দিই না।
  • চাইলে আপনার তথ্য দেখতে, ঠিক করতে বা মুছে ফেলতে বলতে পারেন।

কোন তথ্য আসে, কেন আসে

শুধু লেখা পড়লে

সাইট চালানোর জন্য সার্ভার নিজে থেকেই কিছু কারিগরি তথ্য রাখে: আইপি ঠিকানা, ব্রাউজার ও ডিভাইসের ধরন, কোন পাতা কখন খোলা হয়েছে। এগুলো কাজে লাগে হ্যাকিং ও স্প্যাম ঠেকাতে আর সাইট ঠিকমতো চলছে কি না দেখতে। কাউকে আলাদা করে চেনার কাজে এগুলো ব্যবহার করি না।

সাইটের কিছু ফন্ট Google Fonts থেকে আসে। পাতা খুললে আপনার ব্রাউজার Google-এর সার্ভার থেকে ফন্ট নামায়, ফলে আপনার আইপি ঠিকানা Google-এর কাছে যায়। Google এই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করে, তা তাদের নিজস্ব নীতিতে বলা আছে।

মন্তব্য করলে

মন্তব্যের সঙ্গে আপনার নাম প্রকাশিত হয়। ইমেইল অথবা মোবাইল নম্বর রাখা হয়, কিন্তু প্রকাশ করা হয় না। এগুলো নেওয়ার কারণ দুটো: ভুয়া নামে মন্তব্য ঠেকানো, আর দরকার হলে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করা। স্প্যাম ধরার জন্য মন্তব্যের সময় আইপি ঠিকানা ও ব্রাউজারের তথ্যও রেকর্ড হয়।

অ্যাকাউন্ট খুললে

আপনার নাম ও ইমেইল ঠিকানা রাখা হয়। পাসওয়ার্ড লাগে না; লগইন করতে চাইলে ইমেইলে একটা লিংক পাঠানো হয়।

যোগাযোগ ফর্ম ব্যবহার করলে

নাম, ইমেইল, বিষয় আর আপনার বার্তা রাখা হয়, যাতে উত্তর দিতে পারি এবং মানুষ কোন সমস্যা নিয়ে বেশি জানতে চান তা বুঝে পরের লেখার বিষয় ঠিক করতে পারি। ফর্ম জমার সময় আইপি ঠিকানা ও ব্রাউজারের তথ্যও রেকর্ড হতে পারে।

নিউজলেটারে ইমেইল দিলে

শুধু আপনার ইমেইল ঠিকানা রাখা হয়, নতুন লেখার খবর পাঠানোর জন্য।

কুকি

  • মন্তব্যের কুকি: আপনার নাম, ইমেইল বা মোবাইল নম্বর ব্রাউজারে মনে রাখে, যাতে পরের বার আবার লিখতে না হয়। সর্বোচ্চ এক বছর থাকে।
  • লগইন কুকি: লগইন করলে আপনাকে লগইন অবস্থায় রাখে।
  • বিজ্ঞাপন বা ট্র্যাকিংয়ের কোনো কুকি নেই। ব্রাউজারের সেটিংস থেকে যেকোনো সময় কুকি মুছে ফেলতে পারেন।

কারা আপনার তথ্য দেখতে পায়

  • সাইটের পরিচালক হিসেবে আমি, আর প্রয়োজনে সাইটের কারিগরি কাজে যুক্ত সহকারী।
  • সাইটের হোস্টিং প্রতিষ্ঠান, যাদের সার্ভারে সাইট ও তার ব্যাকআপ থাকে। এই সার্ভার বাংলাদেশের বাইরেও হতে পারে।
  • Google, শুধু ফন্ট নামানোর সময় আপনার আইপি ঠিকানা।
  • আদালতের আদেশ বা আইনানুগ কর্তৃপক্ষের বৈধ অনুরোধ এলে, আইন যতটুকু বাধ্য করে ততটুকু।

এর বাইরে কারও কাছে আপনার তথ্য বিক্রি বা হস্তান্তর করি না।

কত দিন রাখা হয়

  • প্রকাশিত মন্তব্য: লেখাটা যত দিন সাইটে থাকে, অথবা আপনি মুছতে বলা পর্যন্ত। স্প্যাম ও বাতিল মন্তব্য ৩০ দিনের মধ্যে নিজে থেকে মুছে যায়।
  • যোগাযোগ ফর্মের বার্তা: সর্বোচ্চ দুই বছর।
  • নিউজলেটারের ইমেইল: আপনি বন্ধ না করা পর্যন্ত।
  • অ্যাকাউন্ট: আপনি মুছতে বলা পর্যন্ত।
  • সার্ভার লগ ও ব্যাকআপ: নিরাপদ জায়গায় রাখা হয়, আর পুরোনো কপি নিয়মিত মুছে ফেলা হয়।

আপনার অধিকার

ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী আপনি যা করতে পারেন:

  • দেখা ও কপি চাওয়া (ধারা ১১): আপনার কোন তথ্য আমার কাছে আছে, তা জানতে ও তার কপি চাইতে পারেন।
  • সংশোধন (ধারা ১২): ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য ঠিক করতে বলতে পারেন।
  • সম্মতি প্রত্যাহার ও মুছে ফেলা (ধারা ১৩): যেকোনো সময় সম্মতি তুলে নিতে, আপত্তি জানাতে এবং তথ্য মুছে ফেলতে বলতে পারেন।

এর জন্য যোগাযোগ পাতায় লিখে জানান, বিষয়ের ঘরে লিখুন “গোপনীয়তা অনুরোধ”। যে ইমেইল বা মোবাইল নম্বর দিয়ে মন্তব্য বা ফর্ম পূরণ করেছিলেন, সেটা উল্লেখ করুন, যাতে আপনার তথ্য খুঁজে পাই। পরিচয় যাচাই করে সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিই এবং আপনাকে জানাই।

আইনের ধারা ৩১ অনুযায়ী জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এই ধারাটি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় আছে।

শিশুদের তথ্য

১৮ বছরের কম বয়সীরা অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া মন্তব্য করবে না, অ্যাকাউন্ট খুলবে না বা কোনো ফর্মে তথ্য দেবে না। অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোনো শিশুর তথ্য জমা পড়েছে জানতে পারলে তা মুছে ফেলি।

নিরাপত্তা

সাইটে এনক্রিপ্টেড সংযোগ (HTTPS) ব্যবহার করা হয়, আর পরিচালনার অংশে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়। তবু ইন্টারনেটে কোনো ব্যবস্থাই পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। কখনো তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জানাব।

নিজের সুরক্ষার জন্য মন্তব্য বা ফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব, কার্ড নম্বর, পিন বা মামলার গোপন তথ্য লিখবেন না।

এই নীতির পরিবর্তন

নীতিতে কোনো পরিবর্তন হলে এই পাতায় হালনাগাদের তারিখ বদলে দেব। বড় কোনো পরিবর্তন হলে পাতার শুরুতেই তা উল্লেখ থাকবে।

যোগাযোগ

এই সাইটের তথ্যের দায়িত্বে আছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল, ঢাকা। গোপনীয়তা নিয়ে যেকোনো প্রশ্ন বা অনুরোধ যোগাযোগ পাতা থেকে পাঠান।